দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে ১০৮ পরম হংস শ্রী শ্রীমৎ স্বামী গিরিজানন্দ গিরি (বালক বাবা) মহারাজের স্মরণ উৎসব পালিত হয়েছে। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারী) সকাল থেকে নারায়ণগঞ্জ গিরিজানন্দ গিরি যুব পরিষদের উদ্যোগে এ উৎসব পালিত হয়।
এদিন সকলে দেওভোগ (জিউসপুকুর পাড়) শ্রী শ্রী গৌর নিতাই জিউর আখড়া থেকে একটি মঙ্গল শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটির উদ্বোধন করেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনির হোসেন খান। পরে শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে পুনরায় সেই আখড়ায় গিয়ে শেষ হয়।
এর আগে শ্রীমৎ স্বামী গিরিজানন্দ গিরি (বালক বাবা)’র পৌত্রী রিংকি চক্রবর্তি ও পৌত্রী জামাই অজিত চক্রবর্তি মঙ্গল দ্বীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্যদিয়ে ধর্মীয় অনুষ্ঠানের শুভ সুচনা করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লিটন ভাওয়াল, ভজন মন্ডল, রতন সরকার, অ্যাডভোকেট রাজীব মন্ডল, অপু সরকার, আশীষ ভাওয়াল (কুমিল্লা থেকে আগত), কৃষ্ণ দত্ত, শ্যামল ভাওয়াল, শচীন ভাওয়াল, বিশ্বজিৎ পাল, পলাশ পাল, সুনীল ভাওয়াল, অসিত ভাওয়াল, কার্ত্তিক পাল, বাসুদেব দাস, গোনিনাথ দাস, রাজীব দাস, দিলীপ দত্ত, মিশুল দা, বিজয় দা, নন্দন দা, রাজীব দে, মনরঞ্জন শীল, রারিজাত, অরুপ, নীরব প্রমূখ।
শ্রীমৎ স্বামী গিরিজানন্দ গিরি (বালক বাবা) মহারাজের স্মরণ উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানগুলো হল, ভোর ৫টায় মঙ্গল ঘট স্থাপন, সকাল ৬টায় ব্রহ্মমুহতে উপাসনা, সকাল ৯টায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, সকাল ১১টায় দীক্ষাদান, সাধিকা কিরনগিরি (দেবী মা) খোয়াই, ত্রিপুরা, ভারত, দুপুর ১২টায় গুরুপূজা, ঠাকুরের ভোগ রাগ ও ভোগ আরতি, দুপুর ২টায় মহা প্রসাদ বিতরণ, বিকাল ৪টায় মহতী ধর্মসভা, সন্ধ্যায় ৬টায় ব্রহ্মগিতীকা মাঠ, সন্ধ্যা ৭টায় এবং সর্বশেষ ভজন সংগীত।

































