সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, লাঙ্গলবন্দকে হেরিটেজের অন্তর্ভুক্ত করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর সাথে আলাপ করবো। লাঙ্গলবন্দ আমাদের প্রাচীন ঐতিহ্যের অংশ। এটিকে আরও উন্নত ও আকর্ষণীয় করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।
বুধবার (২৫ মার্চ) রাতে নারায়ণগঞ্জের বন্দরের লাঙ্গলবন্দে মহাষ্টমী স্নানোৎসব উপলক্ষে আয়োজিত ধর্মীয় আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীসহ এমপি এবং মন্ত্রীরা শপথ নেয়ার পর মন্ত্রিসভা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। দিন এবং রাত সমান করে অফিসে যাই। এমপি এবং মন্ত্রীরা তিন ঘন্টাও ঘুমায় না। টিমওয়ার্ক করে একটা বিধ্বস্ত দেশের দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। সেই দেশের নতুন স্বপ্ন সম্ভাবনাকে জাগিয়ে তুলতে হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটা নতুন সম্ভাবনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায়।
তিনি আরো বলেন, মানুষের মধ্যে মতের পার্থক্য থাকবে, ধর্মের পার্থক্য থাকবে, রাজনৈতিক চিন্তার ভিন্নতা থাকবে—এসবই একটি গণতান্ত্রিক সমাজের সৌন্দর্য। আমরা এই সৌন্দর্যের মধ্যেই ঐক্য গড়ে তুলতে চাই।
তিনি বলেন, জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমরা সবাই বাংলাদেশি। এখানে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই মিলে আমাদের এই দেশ। আমাদের রয়েছে বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি, আর এই বৈচিত্র্যের মধ্যেই আমরা ঐক্য খুঁজি। এখানে হিন্দুর যে অধিকার মুসলমান সে অধিকার খ্রিস্টানেরও সে অধিকার। বিএনপি বিশ্বাস করে বলেই পাঁচ তারিখের পর বিএনপির লোকজন হিন্দুদের পাশে দাঁড়িয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদ, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান, নাসিক প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সি, বিশিষ্ট ব্যবসাযি প্রবীর কুমার সাহা, সাংবাদিক শংকর কুমার দে, শংকর সাহা, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু প্রমুখ।