নারায়ণগঞ্জ টাইমস | Narayanganj Times

সোমবার,

৩০ মার্চ ২০২৬

হামের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ: রূপগঞ্জে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

হামের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ: রূপগঞ্জে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, দেশে হামের সংক্রমণ উদ্বেগজনকহারে বাড়তে থাকায় সরকার ৬০৪ কোটি টাকা ব্যয়ে টিকা সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে তিনি বলেন, গত আট বছর দেশে হামের টিকা কার্যক্রম কার্যত বন্ধ ছিল, ফলে নতুন করে রোগটির ঝুঁকি বেড়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলনকেন্দ্রে আয়োজিত এশিয়া ফার্মা এক্সপো ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মিজেলস বা হামের রোগী অনেক বেড়েছে। আট বছর আগে সর্বশেষ ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছিল। এরপর আর কোনো সরকার এই ভ্যাকসিন দেয়নি। আমরা ইতোমধ্যে ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছি। পারচেজ কমিটিও অনুমোদন দিয়েছে। যথাসময়ে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করে কার্যক্রম শুরু করা হবে। সংক্রমণ মোকাবিলায় চিকিৎসা প্রস্তুতির কথাও তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, একসময় নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির কারণে দেশে হামের প্রকোপ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছিল। তবে চলতি বছর নতুন করে সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে। ৪ জানুয়ারি কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হামের রোগী শনাক্ত হওয়ার পর ১০ জানুয়ারি সতর্কতা জারি করা হয়। একই সময় রাজধানীর বস্তি এলাকাগুলোতেও রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকে। তিনি বলেন, ইনশাআল্লাহ, রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন হাসপাতালে ওয়ার্ড, আইসিইউ ও ভেন্টিলেটর প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, ঢাকার ডিএনসিসি হাসপাতাল, সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল, শিশু হাসপাতাল, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মানিকগঞ্জের আটটি ইউনিট এবং উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি হাসপাতালে হামের রোগীদের চিকিৎসার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এদিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ সংকটের কারণে কয়েকটি শিশুমৃত্যুর ঘটনার পর সরকার পাঁচটি নতুন ভেন্টিলেটর পেয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, আজ আমরা পাঁচটি ভেন্টিলেটর সংগ্রহ করছি। আগামীকাল সকালে সচিব রাজশাহী যাবেন। তিনি চারটি ভেন্টিলেটর সঙ্গে নিয়ে যাবেন এবং সেখানে স্থাপন করা হবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, দেশীয় ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো শিগগিরই আরও ১২টির বেশি ভেন্টিলেটর সরবরাহ করবে, যা হামের সংক্রমণ মোকাবিলায় সরকারের চিকিৎসা সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হবে। হামের সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে টিকা সংগ্রহ, চিকিৎসা অবকাঠামো প্রস্তুত এবং জরুরি স্বাস্থ্যসেবা জোরদার করার ওপর সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও জানান তিনি। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

Advertising
Advertising
Advertising
নিতাইগঞ্জে নিরাপত্তাকর্মীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

নিতাইগঞ্জে নিরাপত্তাকর্মীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

নারায়ণগঞ্জ শহরে একটি তিনতলা ভবনের ছাদ থেকে মো. আরিফুল ইসলাম ওরফে মাসুম (৩৮) নামে এক নিরাপত্তাকর্মীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৭ মার্চ) দুপুরে নিতাইগঞ্জের ডাইলপট্টি পুরাতন বি.কে. রোড এলাকার ওই ভবন থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত মো. আরিফুল ইসলাম বরিশালের উজিরপুর উপজেলার বইরকাঠি এলাকার মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে। তিনি পরিবার নিয়ে ওই ভবনের দ্বিতীয় তলায় ভাড়ায় বসবাস করতেন এবং পাশ্ববর্তী জামাল শপিং বিল্ডিংয়ের নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরিবার ও পুলিশের সূত্রে জানা যায়, নিহত আরিফুল চাকরির সুবাদে গত ৭ বছর ধরে নারায়ণগঞ্জে তার স্ত্রী নিপা খানম, মেয়ে সুমাইয়া ও ছেলে আদিব হাওলাদারকে নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন। প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার রাতে তিনি কর্মস্থলে যান। রাতে মধ্যে দু-একবার বাড়িতে এসে আবার কাজে ফিরে যান। পরদিন দুপুরে তার স্ত্রী ছাদে কাপড় শুকাতে গেলে স্বামীর ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। এ সময় তার চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে পাঠায়। নিহতের স্ত্রী নিপা খানম জানান, আরিফুল ইসলাম মাদকাসক্ত ছিলেন। এর আগেও একবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। তিনি বলেন, আমাদের মধ্যে গত চার মাস ধরে পারিবারিক কলহের জেরে মনোমালিন্য চলছিল। তিনি আমার সঙ্গে ঠিকমতো কথা বলতেন না। গতকাল রাতে দু-একবার আসলেও কথা বলেননি। আমিও কিছু জিজ্ঞাসা করিনি। এদিকে নিহতের মা রুমা বেগমের দাবি, পারিবারিক কলহের জেরে নিপা খানম তার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। তিনি বলেন, “আমার ছেলে আমার কাছে চলে আসছিল। পরে কেমন করে আমার ছেলেকে আবার নিয়ে গেছে। ফোনে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, বাবা যাইবা না? সে বলেছিল, কাজটা শেষ করে যাব। আমাকে হুমকি দিয়েছিল। বলেছিল, ‘আমি (নিপা) বললে মারব। পরে আমার ওপর দোষ দিতে পারবা না।’ আমি বলেছিলাম, আমার ছেলেকে যদি পুলিশে দাও, দাও। তুমি যদি তোমার স্বামীকে শেষ করে শান্তি পাও, তাহলে করো।” নারায়ণগঞ্জ সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আল মামুন বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে দেখি মরদেহ টিভি কেবলের তারে ঝুলছিল। পরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিস্তারিত ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর জানা যাবে।

  • ফতুল্লায় বাবার মতো সন্ত্রাসীদের হাতে ছেলেও প্রাণ হারালো

  • ফতুল্লায় ৭টি মাদকের স্পটের নাম প্রকাশ করলেন আল আমিন

  • ফতুল্লায় কিলার বাবু হত্যায় মামলা, আসামি ১৩

  • ফতুল্লায় মৎসজীবী দলের সাধারণ সম্পাদকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

  • জামতলায় গৃহবধূকে কুপিয়ে জখম, স্বামী আটক

  • ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: যে কারণে সিদ্ধিরগঞ্জে ৪০ কেন্দ্রে বিএনপি ধরাসায়ী

  • ফতুল্লায় আধিপত্যের দ্বন্ধে ন্যাড়া বাহিনীর প্রধান কিলার বাবু খুন

  • নারায়ণগঞ্জের বিকাশ ব্যবসায়ি ৪দিন ধরে নিখোঁজ, উৎকন্ঠায় পরিবার

  • ফতুল্লার শীর্ষ সন্ত্রাসী জুয়েল গ্রেপ্তার

  • নারায়ণগঞ্জে পুলিশের অস্ত্র ছিনতাইয়ের ঘটনায় আটক যুবক

  • ফতুল্লায় স্ত্রীর মামলায় স্বামী গ্রেপ্তার

    ফতুল্লায় স্ত্রীর মামলায় স্বামী গ্রেপ্তার

    ফতুল্লায় স্ত্রীর মামলায় স্বামী গ্রেপ্তার স্ত্রীর দায়ের করা নারী নির্যাতন ও যৌতুক মামলায় সাকিব উদ্দিন শান্ত (৩২) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত আসামি ফতুল্লা মডেল থানার মাসদাইর শেরেবাংলা রোডস্থ তালা ফ্যাক্টরির শেখ লাভলু মিয়ার ছেলে পুত্র। রবিবার (২৯ মার্চ) বিকেলে তাকে ফতুল্লার মাসদাইর তালা ফ্যাক্টরী এলাকা থেকে গেফতার করা হয়। ফতুল্লা মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক এসআই মোঃ হামিদুল ইসলাম জানায়, তামান্না আক্তারের দায়ের করা যৌতুক ও নির্যাতনের মামলায় দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন তিনি। আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি ওয়ারেন্ট জারি করলে রোববার বিকেলে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    Advertising
    রূপগঞ্জে সড়কে ময়লার ভাগাড়, নাকাল জনজীবন

    রূপগঞ্জে সড়কে ময়লার ভাগাড়, নাকাল জনজীবন

    রূপগঞ্জে সড়কে ময়লার ভাগাড়, নাকাল জনজীবন রূপগঞ্জ উপজেলার গোলাকান্দাইল চৌরাস্তা এলাকার গুরুত্বপূর্ণ এশিয়ান হাইওয়ে বাইপাস সড়কটি এখন যেন ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। সড়কের ওপর গড়ে ওঠা বিশাল ময়লার ভাগাড় থেকে ছড়িয়ে পড়ছে অসহনীয় দুর্গন্ধ, যা প্রতিদিন হাজারো পথচারী, যাত্রী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবনকে করে তুলেছে দুর্বিষহ। এই পরিস্থিতি পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য এক ভয়াবহ হুমকিতে রূপ নিচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোলাকান্দাইলসহ আশপাশের বিভিন্ন হাটবাজার, মাছ ও সবজির আড়ত, দোকানপাট এবং আবাসিক এলাকার বর্জ্য নিয়মিতভাবে এনে ফেলা হচ্ছে এই সড়কের ওপর। দিনের পর দিন জমে থাকা এসব বর্জ্য পচে তৈরি হচ্ছে তীব্র দুর্গন্ধ। সড়কের একাংশ দখল করে থাকা এই ময়লার স্তূপের কারণে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। সড়ক দিয়ে চলাচলরত পথচারীরা নাকে রুমাল বা কাপড় চেপে কোনোভাবে এলাকা অতিক্রম করছেন। অনেকেই জানান, কয়েক সেকেন্ডও সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা কঠিন হয়ে পড়ে। বৃষ্টি হলে পচা ময়লা পানির সঙ্গে মিশে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে, সৃষ্টি হয় আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি। তখন সড়কটি যেন একটি অস্থায়ী নর্দমায় পরিণত হয়। যেখানে এই ময়লার ভাগাড় গড়ে উঠেছে, তার কাছেই রয়েছে একটি ব্যস্ত বাসস্ট্যান্ড। এই স্ট্যান্ড থেকে দেশের পূর্বাঞ্চল, পশ্চিমাঞ্চল, উত্তরাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন রুটে প্রতিদিন অসংখ্য যানবাহন চলাচল করে। ফলে প্রতিদিন হাজারো মানুষ এই দুর্গন্ধময় পরিবেশের শিকার হচ্ছেন। স্থানীয়দের দাবি, এই পরিস্থিতির কারণে অনেককে হাসপাতালে পর্যন্ত নিতে হয়েছে। বাসচালক হেকমত আলী খান বলেন, এই সড়ক এখন চালকদের জন্য এক ধরনের ফাঁদে পরিণত হয়েছে। ময়লার স্তূপের কারণে রাস্তার অবস্থা খারাপ হয়ে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে নতুন চালকরা না বুঝে এই গর্তে পড়ে বিপদে পড়ছেন। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। পথচারী নেয়ামত উল্লাহ সিদ্দিকী বলেন, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক। অথচ এখানে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে দাঁড়ানোই যায় না। দুর্গন্ধে শ্বাস নেওয়াই কঠিন হয়ে পড়ে। আমরা বারবার অভিযোগ করেও কোনো স্থায়ী সমাধান পাইনি। কলেজশিক্ষার্থী আমেনা আক্তার শিউলি বলেন, প্রতিদিন পড়াশোনার জন্য এই পথ দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু ময়লার গন্ধ এতটাই তীব্র যে নাকে রুমাল চেপেও কোনো লাভ হয় না। অনেক সময় মাথা ঘুরে যায়। পরিবেশবিদ বন্দনা শিবা এ প্রসঙ্গে বলেন, অনিয়ন্ত্রিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা একটি নীরব কিন্তু ভয়াবহ সংকট, যা ধীরে ধীরে মানুষের জীবনযাত্রা, পরিবেশ এবং অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। খোলা স্থানে পচনশীল বর্জ্য জমে থাকলে সেখান থেকে মিথেনসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর গ্যাস নির্গত হয়, যা জলবায়ু পরিবর্তনকে ত্বরান্বিত করে। একই সঙ্গে এসব বর্জ্য থেকে ছড়ানো জীবাণু মানুষের শরীরে মারাত্মক রোগের সৃষ্টি করতে পারে। একটি কার্যকর ও টেকসই সমাধানের জন্য প্রয়োজন পরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, আধুনিক ডাম্পিং সিস্টেম, পুনর্ব্যবহার কার্যক্রম এবং সর্বোপরি জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি। স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এ ধরনের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব নয়। স্থানীয় ডিকেএমসি হসপিটাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নজরুল ইসলাম ভূইয়া বলেন, এই এলাকায় একাধিক হাসপাতাল রয়েছে। রোগীরা এখানে চিকিৎসা নিতে এসে উল্টো ময়লার দুর্গন্ধে আরও অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। রূপগঞ্জ উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আইভী ফেরদৌস খান বলেন, পচা ময়লা থেকে উৎপন্ন গ্যাস ও জীবাণু মানুষের শরীরে বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, অ্যালার্জি এবং ভাইরাসজনিত সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। শিশু ও বয়স্কদের জন্য এটি আরও বিপজ্জনক। গোলাকান্দা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন মোল্লা বলেন, উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে আমরা নিয়মিতভাবে ময়লা পরিষ্কার করার চেষ্টা করি। কিন্তু নির্দিষ্ট ডাম্পিংয়ের স্থান না থাকায় অল্প সময়ের মধ্যেই আবার ময়লা জমে যায়। স্থায়ী সমাধানের জন্য নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলার ব্যবস্থা চালু করা অত্যন্ত জরুরি। রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, আমরা নিয়মিতভাবে সড়কটি পরিষ্কার করার জন্য অভিযান চালাচ্ছি। তবে এটি দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নয়। ইতোমধ্যে ময়লা ডাম্পিংয়ের জন্য জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। আশা করছি, আগামী এক মাসের মধ্যে সেখানে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম শুরু করা যাবে।

    Advertising
    Advertising
    Advertising
    Advertising
    Advertising
    Advertising
    Advertising