নারায়ণগঞ্জ টাইমস | Narayanganj Times

বুধবার,

২১ জানুয়ারি ২০২৬

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানই মুক্তিযুদ্ধের সূচনা করেছিলেন : মামুন মাহমুদ

নারায়ণগঞ্জ টাইমস

প্রকাশিত:২২:৩৫, ২০ জানুয়ারি ২০২৬

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানই মুক্তিযুদ্ধের সূচনা করেছিলেন : মামুন মাহমুদ

নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মুক্তিযুদ্ধের একটি খেতাব রয়েছে। সেটি হলো বীর উত্তম।

আমাদের মুক্তিযুদ্ধে মহান ভূমিকার জন্য জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য যে তিনটি খেতাব রয়েছে আর একটি হলো যারা শহীদ হয়েছেন তাদের জন্য বীরশ্রেষ্ঠ। আর জীবিতদের জন্য তিনটি খেতাব হয়েছে তার একটি হল বীর উত্তম। 

আমাদের শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কিন্তু সেই সময়ের বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা। তিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রণাঙ্গনে যুদ্ধ করেছিল বলে তৎকালীন সরকার তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করেন।

এর উপরে জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে আর কোন খেতাব ছিল না থাকলে সেটাও পেতেন। কারণ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানই মুক্তিযুদ্ধের সূচনা করেছিলেন। জিয়াউর রহমানের ঘোষণাই মুক্তিযুদ্ধের সূচনা। 

মঙ্গলবার ( ২০ জানুয়ারি) বিকেলে সিদ্ধিরগঞ্জে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আলোচনা সভায় বক্তব্যকালে তিনি এসব কথাগুলো বলেন।

জেলা বিএনপির সদস্য রিয়াজুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় অধ্যাপক মামুন মাহমুদ এর সভাপতিত্বে আদমজীস্থ জেলা বিএনপির কার্যালয় প্রাঙ্গণে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় মামুন মাহমুদ আরও বলেন, সূচনা মানে এটার সমাপ্তি আছে। যেটা শুরু আছে সেটা সমাপ্তিও আছে। জিয়াউর রহমান যদি মুিিক্তযুদ্ধের সূচনা না করতেন তাহলে পাকিস্তানি হানাদার নির্বিচারে আমাদের নিরহ বাঙালিকে গুলি করে হত্যাসহ বিভিন্ন ধরনের জুলুম নির্যাতন চালাতো। 

জিয়াউর রহমানের যুদ্ধ সূচনা করে দিলেন আর সারা বাংলাদেশে এর প্রতিরোধ শুরু হয়ে গেল। যখনই প্রতিরোধ শুরু হয়ে গেল তখনই পাকিস্তানি বাহিনীরা আর সামনে আগাতে পারিনি। এর মাধ্যমে জায়গায় জায়গায় যে যা কিছু ছিল তাই নিয়েই প্রতিরোধ গড়ে তুলে।

 যে রাস্তা দিয়ে পাকিস্তানিরা আসবে সেই রাস্তার ব্রীজও ভেঙ্গে ফেলা হয়েছিল ফলে তারা আসতে পারেনি। ফলে সেই যুদ্ধে আমরা কিন্তু বিজয়ী হয়েছিলাম। সে যুদ্ধে বাংলাদেশের মধ্যে যে কয়টি সেক্টর ছিল শেষ সেক্টর গুলো ১১ টি ভাগে কয়েক জেলা নিয়ে বিভক্ত করা হয়েছিল। 

আর জিয়াউর রহমান ছিলেন একটি সেক্টরের প্রধান। ফলে জিয়াউর রহমানের নামের মধ্যে যে এত গুণাবলী ছিল ওগুলো কি তিনি কিনে এনেছিলেন না উনি এগুলো তার সততা ও মেধা সর্বোপরি ওনার দেশপ্রেম দিয়ে দিয়ে অর্জন করেছিলেন।

জেলা বিএনপির সদস্য রিয়াজুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাশুকুল ইসলাম রাজিব, জেলা বিএনপির সদস্য নাদিম হাসান মিঠু, অকিল উদ্দিন ভুইয়া, জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী রহিমা শরীফ মায়া, জেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাবুল, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব শাহআলম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাকের আহমেদ সোহান, মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আক্তারুজ্জামান মৃধা, মহানগর ছাত্র দলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী ফারহান।

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য একরামুল কবির মামুন, সোনারগাঁও উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি সালমা আক্তার, জেলা মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক শেফালী রাণী দাস, সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ১ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি গাজী মনির হোসেন, ২ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শেখ শামসুদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক কামাল আহমেদ, ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন, ২ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোক্তার হোসেন মুক্তুল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ-সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন মোল্লা, মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান খলিল শ্যামল, থানা ছাত্র দলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেন প্রমূখ।
 

সম্পর্কিত বিষয়: