বন্দরে দাবিকৃত যৌতুক না পেয়ে ১ সন্তানের জননী কাজল আক্তার (১৯)কে হত্যার উদ্দেশ্য গলায় ছুরিকাঘাত করে জখম করার ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে।
জখমপ্রাপ্ত ১ সন্তানের জননী কাজল আক্তার পটুয়াখালী জেলার সদর থানার ২নং তারঘাট হাজীবাড়ী এলাকার লিটন হাওলাদারের মেয়ে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহন করে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে উল্লেখিত স্বামী আলমগীর খাঁন ও শ্বাশুড়ী রেহেনা বেগমকে আসামী করে বন্দর থানায় এ অভিযোগ দায়ের করে। এর আগে গত বুধবার (৪ মার্চ) রাত ৯টায়ে বন্দর স্কুলঘাট এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।
অভিযোগের তথ্য সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ বছর পূর্বে কাজল আক্তারের সাথে বন্দর স্কুলঘাট এলাকার ভাড়াটিয়া মৃত আমজাত খানের ছেলে আলমগীর খানের ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাদের সংসারে সাকিব নামে সাড়ে ৩ বছরের এক পুত্র সন্তান রয়েছে।সন্তান জন্মগ্রহনের পর থেকে ১নং বিবাদী শ্বাশুড়ী রেহেনা বেগমের কুপরামর্শে ২নং বিবাদী পাষান্ড স্বামী আলমগীর খান দীর্ঘ দিন ধরে গৃহবধূ কাজল আক্তারকে ভরন পোষন দেয় না। এ কারনে গৃহবধূ কাজল আক্তার শহরে ফেরি করে কলম খাতা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিল। দর্জাল শ্বাশুড়ী ও পাষান্ড স্বামীর চাহিদা মোতাবেক যৌতুক দিতে না পারার কারনে ১নং বিবাদী রেহেনা বেগমের কুপরামর্শে ২ নং বিবাদী আলমগীর খান প্রথম স্ত্রী অগোচরে ২য় বিয়ে করে। ১ম স্ত্রী ও তার সন্তানের ভরন পোষন চাইলে উল্লেখিত বিবাদীগন নানা ভাবে হুমকি দামকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। এর জের ধরে গত বুধবার রাত ৯টায় উল্লেখিত গৃহবধূ ও তার সন্তানের ভরনপোষণ আনতে গেলে ওই সময় দর্জাল শ্বাশুড়ী রেহেনা বেগম ক্ষিপ্ত হয়ে কাজল আক্তারকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে ওই সময় পাষান্ড স্বামী কাজল আক্তারকে হত্যার উদ্দেশ্য গলায় ছুরিকাঘাত করে মারাত্মক কাটা জখম করে কলম বিক্রির নগদ ৩ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। স্থানীয়রা ১ সন্তানের জননীকে জখম অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করে।
এ ব্যাপারে বন্দর থানার সেকেন্ড অফিসার মনির জানান, অভিযোগটি তদন্ত করে দোষিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে


































