নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে ভোটারদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। গণভোটের মাধ্যমে জনগণ তাদের মতামত স্বাধীনভাবে প্রকাশের সুযোগ পায়, যা গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি।
৫ আগস্টের পর নতুন করে রাস্ট্র মেরামতের একটা সুযোগ রয়েছে। আমাদের কিছু সংস্কার দরকার। সরকার বা রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ নিজেরা সংস্কার না করে জনগনের ওপর ছেড়ে দেয়া হয়েছে। আর তাই এই গনভোটের আয়োজন করা হয়েছে।
নারায়নগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসন ও ফতুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গণভোট বিষয়ে জনসচেতনতা ও নাগরিক অংশগ্রহণ বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি উদ্ধুদ্ধকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস. এম. ফয়েজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে ফতুল্লা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় তিনি আরও বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং একই সাথে হ্যা বা না (গনভোট) ভোট ভোট অনুস্ঠিত হবে। আগে ভোট দেওয়ার পরিবেশ ছিলোনা। এবার ভোট দেওয়ার সুযোগ এসেছে। তাই আপনারা আপানাদের ভোট দিয়ে মনের ইচ্ছা প্রকাশ করবেন।
গণভোটকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো এবং ভোটাধিকার প্রয়োগে উদ্বুদ্ধ করাই এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। আপনি হ্যা বা না তে ভোট দিবেন সেটা আপনাদের বিষয়। আমরা আপনাদের নিকট ভোট প্রয়োগের বিষয়ে সচেতন করার বিষয়ে আলোচনা করতে এসেছি।
তিনি বলেন, নির্বাচনের দিন যেন ভোটাররা নির্বিঘ্নে ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে গণভোটে অংশ নিতে পারেন, সে লক্ষ্যে প্রশাসনের এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
সভায় বক্তারা ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি নির্বাচন সংক্রান্ত ভ্রান্ত ধারণা দূর করার ওপর গুরুত্বরোপ করেন। সভা শেষে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে লিফলেট বিতরণ করা হয় এবং ভোটারদের সচেতন করতে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সহকারি ভূমী অফিসার (ফতুল্লা সার্কেল এসিল্যান্ড) আসাদুজ্জামান নুর, উপজেলা নির্বাচনী রিটার্নি কর্মকর্তা মোঃ তাছিনুর রহমান, ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মান্নান, ফতুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ সেলিম মিয়া, ফতুল্লা ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য কাজী মাঈনুদ্দিন সহননির্বাচন কর্মকর্তা, বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধি, জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ।


































