নারায়ণগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকায় জেকে বসেছে প্রচন্ড শীত। ঘন কুয়াশায় জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। সড়ক ও মহাসড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। লোকালয় স্হান গুলোতে শীতার্থ মানুষ আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানাযায়, কয়েকদিন ধরে সারাদেশে তীব্র শীত, ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়া বইছে।গত চার পাঁচদিন থেকে এই শীত, হিমেল হাওয়া ও ঘন কুয়াশার প্রভাব বেড়েছে। এ কারণে শীতে কাঁপছে নারায়ণগঞ্জের খেটে খাওয়া মানুষদের।
বিশেষ করে রেলস্টেশন ও বস্তি এলাকার অবস্থা অত্যন্ত লাজুক। এদিকে মহাসড়কে দুর্ঘটনা এড়াতে পুলিশের সিগন্যালে হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ে গেছে নারায়নগঞ্জ জেলার শহরসহ সোনারগাঁও, রুপগঞ্জ, আড়াইহাজার, ফতুল্লা বাসির।
এই শীতে গরিব ও অসহায় পরিবারের লোকজন মানবেতর জীবনযাপন করছে। এছাড়া প্রচন্ড শীতের কারনে কৃষক দিনমজুর কাজে নামতে হিমশিম খাচ্ছে।
এ জেলায় আবহাওয়া অফিস থেকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। জেলা উপজেলা শহরগুলোতে জনসমাগমও অনেকটা কমে গেছে। শহরের বিপনি বিতান, ফুটপাত গুলোতে শীতের কাপড় কেনার উপচে পড়া ভীড় দেখাযায়।
এছাড়াও গ্রামাঞ্চলের হাট-বাজার গুলোতে শীত নিবারণের জন্য গরম কাপড়ের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে অসহায় পরিবারের লোকজন শীত নিবারণে গরম কাপড় কিনতে হিমসিম খাচ্ছে। সরকারি বেসরকারি পর্যায়ে ও শীত বস্ত্র বিতরণ তেমন শুরু হয়নি। তবে জেলা প্রশাসনও শীত বস্ত্র বিতরণ করছেন।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, আমরা সাধ্য মতো শীতার্থদের মাঝে শীত বস্ত্র দেওয়ার চেষ্টা করছি। আমাদের কার্যক্রম চলমান থাকবে।

































