নারায়ণগঞ্জ টাইমস | Narayanganj Times

রোববার,

২৬ মে ২০২৪

৬ মাসের মধ্যে দৃশ্যমান হবে শেখ কামাল আইটি ইনিস্টিউট: প্রতিমন্ত্রী

নারায়ণগঞ্জ টাইমস

প্রকাশিত:২২:২০, ৮ মার্চ ২০২৪

৬ মাসের মধ্যে দৃশ্যমান হবে শেখ কামাল আইটি ইনিস্টিউট: প্রতিমন্ত্রী

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আহমেদ পলক বলেছেন, আজ থেকে ১৫ বছর আগে সন্ত্রাসের এলাকা ছিল নারায়ণগঞ্জ। উন্নয়ন বঞ্চিত এলাকা ছিল নারায়ণগঞ্জ। আজকে মাত্র চল্লিশ মিনিটে এই শিল্পকলা একাডেমিতে এসে উপস্থিত হয়েছি আমি। 

শামীম ওসমান ভাইয়ের ড্রিম প্রজেক্ট লিংক রোড। এটা এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে গেছে। তার আরেকটা ড্রিম প্রজেক্ট মেডিকেল কলেজ হবে, শেখ কামাল আইটি ইনিস্টিউট হবে এখানে। 

শুক্রবার (৮ মার্চ) বিকেলে শহরের কালিরবাজারে নারায়ণগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে নারী প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে ল্যাপটপ বিতরণী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে একথা বলেন তিনি। 

তিনি আরও বলেন, আমি আজকে আসার সময় শেখ কামাল আইটি ইনিস্টিউটের কাজটি পরিদর্শন করে এসেছি। আগামী ছয় মাসের মধ্যে এটা দৃশ্যমান হবে। ছয় বছরের মধ্যে এখানে বিল্ডিং হবে।

 তখন হাজার ছেলেমেয়ের কর্মসংস্থান হবে এখানে। নারায়ণগঞ্জের মাটি থেকে বসে তারা বড় বড় দেশের আউটসোর্সিং করবে। সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে তারা নেতৃত্ব দেবে।

তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে যদি আমরা আমাদের বোনদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে পারি এবং তারা একটা স্টার্টআপ যদি ফান্ড পায়। সেটা দিয়ে যদি স্টার্ট আপ করতে পারে। আর প্রযুক্তির জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনার উপহার একটি ল্যাপটপ পায়। তাহলে তারা আত্মনির্ভরশীল হবে। তাদের কারও ওপর নির্ভর হতে হবে না।

পলক বলেন, আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধা সেলিম ওসমানের এত বড় বড় প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সেগুলো শুধু তার বা তার পরিবারের জন্য নয়। হাজারো মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে এখানে। একজন যদি চাকরির পেছনে ছুটে তাহলে তার পরিবারের আর্থিক স্বচ্ছলতার ব্যাবস্থা করতে পারে। আর যদি উদ্যোক্তা হয় তাহলে সে অনেক পরিবারের আর্থিক স্বচ্ছলতার ব্যাবস্থা করতে পারে। 

গত পনেরো বছরে সজীব ওয়াজেদ জয়ের নির্দেশনায় আমাদের ৫০ হাজারের বেশি ছেলেমেয়ে হার্ডওয়্যার মেনুফেকচারের কাজ করছে। 
গত নির্বাচনের আগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তার দূরদর্শীতে দিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানের জন্য দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। ১৯৯২ সালে একজন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তার নূন্যতম জ্ঞান ছিলনা বলেই সেসময় সাবমেরিন কেবল নেয়নি। সেকারণেই বাংলাদেশ পঞ্চাশ বছর পিছিয়ে গেছে।

তিনি আরো বলেন, আজকে আমি এখানে এর জন্য তিনজন নারীর ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। একজন হল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার জন্য আমি এখানে নেতৃত্ব দেয়ার সুযোগ পেয়েছি। আরেকজন নারী হল আমার মা যিনি আমার চোখে পৃথিবীর সেরা শিক্ষক। 

আরেকজন হল আমার অর্ধাঙ্গিনী আমার স্ত্রী। সে নিজে ছাত্র জীবনে প্রাইমারি স্কুলে চাকরি করেছিল। ২০০১ সালে যখন মামলা মাথায় পালিয়ে থাকতে হয়েছে তখন আমার স্ত্রী আমাকে সাহস যুগিয়েছে। আজ নারী দিবসে এই তিন নারীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ না করলে অন্যায় হবে।
 

সম্পর্কিত বিষয়: