নারায়ণগঞ্জ টাইমস | Narayanganj Times

শনিবার,

০৪ জুলাই ২০২৬

সোনারগাঁয়ে সহকারী শিক্ষিকার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জ টাইমস

প্রকাশিত:২০:১১, ৪ জুলাই ২০২৬

সোনারগাঁয়ে সহকারী শিক্ষিকার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার ১৯ নম্বর পেরাব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষিকার বিরুদ্ধে নিয়মিত বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতি, সহকর্মী ও অভিভাবকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণসহ বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে শিক্ষা বিভাগ।

অভিযোগে জানা যায়, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা রেবেকা সুলতানা (সাম্মী) প্রায়ই যথাযথ অনুমতি ছাড়া বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকেন এবং বিদ্যালয়ের নিয়ম-শৃঙ্খলা অনুসরণ করেন না। এ কারণে বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া শিক্ষার্থীদের কয়েকজন অভিভাবকের সঙ্গেও তার অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ রয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা হাসিনা মমতাজ বলেন, "রেবেকা সুলতানা আমার বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা। তিনি অনেক সময় কাউকে না জানিয়ে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকেন এবং নিজের ইচ্ছামতো দায়িত্ব পালন করেন। অনুপস্থিতির কারণ জানতে চাইলে তিনি অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। এ বিষয়ে তাকে একাধিকবার শোকজ করা হলেও তার আচরণে পরিবর্তন আসেনি।"

সূত্র জানায়, ২০২৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মীর মাসুম বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে ওই শিক্ষিকাকে অনুপস্থিত পান। পরে তাকে তলব করে ব্যাখ্যা চাইলে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে একটি প্রতিবেদনও পাঠানো হয় বলে জানা গেছে।

এদিকে, কয়েকজন অভিভাবক অভিযোগ করে বলেন, এ ধরনের পরিস্থিতি চলতে থাকলে তাঁদের সন্তানদের অন্য বিদ্যালয়ে ভর্তি করাতে বাধ্য হবেন। শিক্ষার্থীদের স্বার্থে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।

তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে সহকারী শিক্ষিকা রেবেকা সুলতানার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সোনারগাঁ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম সরকার বলেন, "ওই সহকারী শিক্ষিকার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা তারা গ্রহণ করবেন।"

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফেরদৌসী বেগম বলেন, "সোনারগাঁয়ের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকার বিরুদ্ধে প্রাপ্ত অভিযোগের তদন্ত চলছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"