নারায়ণগঞ্জ টাইমস | Narayanganj Times

মঙ্গলবার,

২৮ মে ২০২৪

নির্বাচনে রাজনৈতিকভাবে আমাদের বিজয় হয়েছে দাবী তৈমূরের

নারায়ণগঞ্জ টাইমস:

প্রকাশিত:২০:৪৫, ২৬ জানুয়ারি ২০২৪

নির্বাচনে রাজনৈতিকভাবে আমাদের বিজয় হয়েছে দাবী তৈমূরের

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া তৃণমূল বিএনপির মহাসচিব অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার দাবী করেছেন,  নির্বাচনে রাজনৈতিকভাবে আমাদের বিজয় হয়েছে। বাংলাদেশে ৪৪টি নিবন্ধিত দল রয়েছে। এরমধ্যে অনেক দলেরই ম্যানিফেস্টো মানুষ জানে না। তাদের দলীয় প্রতীক জানে না, তাদের দলের নাম জানে না। দলের প্রতিষ্ঠাতার নাম জানে না। আমাদের সবকিছু এরইমধ্যে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছে।

শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে  নারায়ণগঞ্জ শহরের মাসদাইরে নিজ বাসভবনে নেতাকর্মীদের সঙ্গে সাংগঠনিক আলোচনা সভা শেষে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এই দাবী করেন। 

তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, আমদের থিওরি হলো ‘সুষ্ঠু রাজনীতি সুশাসনের ভিত্তি’। সুষ্ঠু নির্বাচন সুশাসনের আওতায় পড়ে। যেখানে রাজনীতি সুষ্ঠু না সেখান সুষ্ঠু নির্বাচন আশা করা যায় না। বাংলাদেশে যাতে সুষ্ঠু রাজনীতি হয় সেজন্য আমরা কাজ করে যাবো। জাতি যেন সুষ্ঠু রাজনীতির দিকে এগিয়ে যেতে পারে, সেজন্য আমরা আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাবো।’

তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘একসময় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলতেন, দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হয় না। তিনিও তত্ত্বাবধায়ক সরকার চেয়েছেন। ওইসময় বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকার চায়নি, এখন চায়। কিন্তু এ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের থিওরি দিয়ে গেছেন ব্যারিস্টার নামজুর হুদা। যিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং তৃণমূলেরও প্রতিষ্ঠাতা। আমরা সবকিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছি।’

সুষ্ঠু নির্বাচন প্রসঙ্গে তৈমূর খন্দকার বলেন, ‘বর্তমান প্রজন্ম ক্ষমতার দ্বন্দ্বে অন্ধ হয়েছে। এ প্রজন্ম দিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব না। স্বার্থে জড়িয়ে যাওয়ার কারণে ভবিষ্যত প্রজন্মের দ্বারাও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব না। তৃতীয় প্রজন্মের দ্বারা সম্ভব হবে সুষ্ঠু নির্বাচন। সেই প্রজন্মের জন্য এখন থেকেই আমরা প্রস্তুত হচ্ছি।’

এসময় উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা তৃণমূল বিএনপির প্রস্তাবিত কমিটির আহ্বায়ক মোহাম্মদ আলী, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাজহারুল ইসলাম রোকন, মহানগর তৃণমূল বিএনপির প্রস্তাবিত কমিটির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আলী হোসাইন ও সদস্য সচিব সাজিদ খান সিদ্দিকীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।