নারায়ণগঞ্জ বন্দর কদম রসুল সেতুর দ্বি-মুখী ওসেল (ওস্টারবাগ সেল) স্ট্যাটিক লোড পরীক্ষা শুরুর মধ্য দিয়ে এলজিইডি নতুন পদ্ধতিতে কাজ শুরু করছে। বুধবার (২১ জানুয়ারী) দুপুরে বন্দর উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এবিষয় একটি গোলটেবিল বৈঠক হয়।
বিকালে বন্দরে এই পদ্ধিতে পরিদর্শন করেন এলজিইডি সদর দপ্তরে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (মাননিয়ন্ত্রণ) মো. ওয়াহিদুজ্জামান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (ব্রিজ ডিজাইনার) গোলাম মাওলা, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (যয়শোর অঞ্চল) তারিকুল জামান, নারায়ণগঞ্জ এলজিইডি সহকারী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ মো. তাহের ,প্রকল্প পরিচালক হরিকিং মহন্ত বন্দর উপজেলা এলজিইডি প্রকৌলশী এস এম সামিন ইশরাক, বন্দর উপজেলা নির্বহী অফিসর শিবানী সরকার, পজেক্ট কনসালট্যান্ট ডেপুটি টিম লিডার আহসান হাবিব, রেসিডিয়াল ইঞ্জি. লুৎফর রহমান প্রমুখ।

এর আগে একটি এ বিষয় দুপুরে এক গোলটেবিলে বৈঠকেরে আয়োজন করেন বন্দর এলজিইডি এবিষয় এলজিইডি সদর দপ্তরে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (মাননিয়ন্ত্রণ) মো. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন,
আমাদের এই পজেক্টে দায়িত্বে এলজিইডি যারা কাজ করছেন আপনারা নিজের মনের কাজ করবেন। একাজের পুরোপুরি দায়িত্বের সাথে কাজ করবেন, ভালো একটি উদ্যাগ গ্রহণ করা হয়েছে এই পদ্ধিতে আমাদের কাজের মান আর বাড়বে ও গতিশীল হবে আশা করি। এই পদ্ধতিতে এই প্রথম আমরা কাজ করছি আশা করি সবাই গুরুত্বের সাথে কাজ করবেন।
কদম-রসুল সেতুর টেস্ট পাইলিং কাজের উদ্বোধন হয়েছে গত ৩ ডিসেম্বর। শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ে জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির এবং সিটি কর্পোরেশন প্রশাসক আবু নছর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ উদ্বোধন করেন।
উল্লেখ্য, নারায়ণগঞ্জ সদরকে বন্দরের সাথে সংযুক্ত করার জন্য কদমরসুল সেতু নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন। ২০১৭ সালে স্থানীয় সরকার বিভাগে প্রকল্প যাচাই কমিটির সভায় সেতুর পরিকল্পনা এবং ২০১৮ সালের একনেকের সভায় ৫৯০ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ১ হাজার ৩৮৫ মিটার দীর্ঘ সেতুর প্রকল্প অনুমোদিত হয়।
বিভিন্ন জটিলতার কারণে নির্মাণ কাজ শুরু হতে দীর্ঘায়িত হলেও ২০২৩ সালে একনেকে প্রায় ৭০০ কোটি টাকার প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়।


































