নারায়ণগঞ্জ টাইমস | Narayanganj Times

শনিবার,

২৭ জুন ২০২৬

বন্দরে পৈত্রিক সম্পত্তি দখলচেষ্টার অভিযোগ, মন্দিরে ইটপাটকেল নিক্ষেপে উত্তেজনা

নারায়ণগঞ্জ টাইমস:

প্রকাশিত:১৯:২৫, ২৭ জুন ২০২৬

বন্দরে পৈত্রিক সম্পত্তি দখলচেষ্টার অভিযোগ, মন্দিরে ইটপাটকেল নিক্ষেপে উত্তেজনা

নারায়ণগঞ্জের বন্দরের শাহী মসজিদ এলাকায় শতবর্ষী পৈত্রিক সম্পত্তি দখলচেষ্টা, আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সাইনবোর্ড উপড়ে ফেলা এবং গভীর রাতে মন্দিরে ইটপাটকেল নিক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, হামলাকারীরা পাশের সিকদার আব্দুল মালেক উচ্চ বিদ্যালয়ের ভেতর থেকে হামলা চালায়।

ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (২৬ জুন) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে শাহী মসজিদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় রঞ্জিত চন্দ্র দাস (৫৪) বন্দর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগে বলা হয়, রঞ্জিত চন্দ্র দাস, তার বড় ভাই মানিক চন্দ্র দাস এবং অপর শরিকরা পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত প্রায় ৭ শতাংশ বাড়ির জমি ও ২৪ শতাংশ পুকুরের জমিতে ১০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বসবাস করে আসছেন। জমি সংক্রান্ত বিরোধে তাদের পক্ষে উচ্চ আদালত ও নিম্ন আদালতের আদেশ রয়েছে। আদালতের আদেশ অনুযায়ী তারা জমিতে একটি আইনগত সাইনবোর্ড স্থাপন করেছিলেন। তবে প্রায় তিন মাস আগে অজ্ঞাতনামা কয়েকজন সেটি জোরপূর্বক খুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ঘটনার রাতে মানিক চন্দ্র দাস জমিতে অবস্থানকালে পাশের সিকদার আব্দুল মালেক উচ্চ বিদ্যালয়ের ভেতর থেকে একদল অজ্ঞাত ব্যক্তি মন্দিরের বাউন্ডারি লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

ভুক্তভোগীদের দাবি, এ সময় বিদ্যালয়ের নিরাপত্তাকর্মী আব্দুল খালেক জানান, কয়েকজন ব্যক্তি গেট খুলে দেওয়ার জন্য চাপ দেয় এবং গেট না খুললে তালা ভেঙে ফেলার হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক বিদ্যালয়ের ভেতরে প্রবেশ করে।

পরিবারটির অভিযোগ, হামলাকারীরা প্রভাবশালী ও আইন অমান্যকারী হওয়ায় তারা নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। ঘটনার বিষয়ে আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা শেষে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়।

এ বিষয়ে বন্দর থানার পুলিশ জানিয়েছে, শাহী মসজিদ এলাকায় জমি-সংক্রান্ত বিরোধ এবং রাতে ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সম্পর্কিত বিষয়: