নারায়ণগঞ্জের বন্দরে মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির এক কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে হৃদয় (৩৫) নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে বন্দর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃত হৃদয় বন্দর উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের উত্তর চাঁনপুর হেদায়েতপাড়া এলাকার মনির হোসেন মিয়ার ছেলে। রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে তাকে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরী (১৫) মদনপুর ইউনিয়নের উত্তর চাঁনপুর হেদায়েতপাড়া এলাকার রশিদা মহিলা মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার বাবা পেশায় অটোচালক এবং মা মদনপুর স্ট্যান্ড এলাকার একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত।
গত শনিবার (২৯ আগস্ট) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে ভুক্তভোগীর মা নাইট ডিউটিতে কর্মস্থলে চলে যান। পরে বাবা ও মেয়ে রাতের খাবার শেষে ভাড়াটিয়া বাসায় ঘুমিয়ে পড়েন।
অভিযোগ রয়েছে, এ সুযোগে হৃদয় কৌশলে ভাড়াটিয়া বাসার পার্টিশনের ওপরের ফাঁকা জায়গা দিয়ে কিশোরীর কক্ষে প্রবেশ করেন। পরে ঘুমন্ত কিশোরীকে জাপটে ধরে ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
এ সময় কিশোরী চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন। হৃদয় দরজা খুলে পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।
বন্দর থানার পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। মামলার আসামি হৃদয়কে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।


































