নারায়ণগঞ্জ টাইমস | Narayanganj Times

রোববার,

২১ জুলাই ২০২৪

ফল খাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিষেধ মেনে চলা জরুরি

নারায়ণগঞ্জ টাইমস:

প্রকাশিত:১৩:২৫, ২১ অক্টোবর ২০২৩

ফল খাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিষেধ মেনে চলা জরুরি

কথায় আছে, শরীর ভালো তো মন ভালো। আর মন ভারো তো সব ভালো। তাই শরীর ভালো রাখতে ফলের গুরুত্ব অপরিসীম । ফলের উপকারিতা  ও পুষ্টিগুণের কথা সবারই জানা। ফলে থাকা নানা উপাদান শরীর ভালো রাখতে সাহায্য  করে। পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। কিন্তু অনেকেরই হয়তো জানা নেই, ফল খাওয়ার ব্যাপারেও কিছু বিধিনিষেধ মেনে চলা জরুরি। তা না হলে নানা ধরনের সমস্যা হতে পারে। অনেকের মতে, রাতে ফল খাওয়া শরীরের জন্য একেবারেই ঠিক নয় নয়। আবার কারও ধারণা, খালি পেটে ফল খেলে গ্যাসের সমস্যা বাড়ে। অনেকে এমনও আছেন, যারা দিনের যে সময়েই ফল খান না কেন, বদহজম হয়। কী ভাবে ফল খেলে পুষ্টিগুণ পাওয়া যাবে তা জানানো হয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম ‘আনন্দবাজার’ এর এক প্রতিবেদনে। যেমন-

১. স্ট্রবেরি, কমলালেবু, বেদানা বা আপেলে অ্যাসিড থাকে । এই ধরনের ফলে সঙ্গে কলা, খেজুর, কিশমিশ জাতীয় মিষ্টি ফল খাওয়া এড়িয়ে চলুন। এই দু’ধরনের ফলের পিএইচ মাত্রা ভিন্ন হওয়ায় হজমে সমস্যা হয়। অনেকেই ওজন কমানোর জন্য  দইয়ের সঙ্গে ফল খান। যাদের বদহজম এবং গ্যাস্টিকজনিত সমস্যা আছে এই দুই খাবারের মিশ্রণ তাদের সমস্যা আরও বাড়িয়ে দেয়। 

২. অনেকেই ফল খাওয়ার পর পানি খান। কিন্তু অনেকেই হেয়তো জানেন না খাওয়ার পর পানি খেলে শরীরের  হজম প্রক্রিয়া খানিকটা দুর্বল হয়ে পড়ে। কারণ সব ধরনের  ফলে পানির পরিমাণ বেশি থাকে। এ কারণে ফল খাওয়ার পর আলাদা করে পানি না খাওয়াই ভালো । এতে শরীরের পিএইচের ভারসাম্য ঠিক থাকে। যেমন লেবু, শসা, তরমুজের মতো ফল খাওয়ার পরেই পানি খেলে হজমের সমস্যা আরও বেড়ে যায়। কারও কারও ডায়রিয়াও হতে পারে।

৩. খাওয়ার অন্তত আধ ঘণ্টা আগে বা পরে ফল খাওয়া উচিত। তা না হলে হজম প্রক্রিয়ায় সমস্যা দেখা দিতে পারে। 

৪. ফলের বদলে অনেকেই ফলের রস করে খেতে ভালবাসেন। তবে পুষ্টিবিদরা বলছেন, এতে ফলের পুষ্টিগুণ কমে যায়। ফলের সম্পূর্ণ পুষ্টিগুণ পেতে চাইলে গোটা ফল খাওয়াই ভালো।

৫. ফলের চেয়ে বেশি ভিটামিন ও অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট থাকে ফলের খোসায়। অনেকেই সব ধরনের ফলই খোসা ছাড়িয়ে ফল খান। কিন্তু এটা ঠিক নয়। যেমন- আপেলের খোসায় ফাইবার, ভিটামিন সি এবং ভিটামিন এ থাকে। তাই আপেলের খোসা ছাড়িয়ে খাওয়া মোটেই ঠিক নয়। 
 

সম্পর্কিত বিষয়: