নারায়ণগঞ্জ টাইমস | Narayanganj Times

শুক্রবার,

০৯ অক্টোবর ২০২৬

সিদ্ধিরগঞ্জে ওলামালীগ নেতা মানিকের দম্ভোক্তি, ডিসেম্বরে নেত্রী ফিরবে, তখন দেখে নিবো

নারায়ণগঞ্জ টাইমস:

প্রকাশিত:২১:০৬, ৯ অক্টোবর ২০২৬

সিদ্ধিরগঞ্জে ওলামালীগ নেতা মানিকের দম্ভোক্তি, ডিসেম্বরে নেত্রী ফিরবে, তখন দেখে নিবো

নারায়ণগঞ্জ মহানগর ওলামলীগের সাধারণ সম্পাদক সিদ্ধিরগঞ্জের ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মাহাবুব হোসেন মানিকের হুমকি-ধামকি থামছে না। তার নানা অপকর্ম নিয়ে কথা বলায় বিভিন্নজনকে সে হুমকি দিয়ে বলে আর মাত্র দুই-তিন মাস। ডিসেম্বরে নেত্রী ফিরবে। তখন দেখে নিবো। মানিকের এমন আচরণে ভুক্তভোগী লোকজনের মাঝে আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে ভয়ে কেউ তার বিরুদ্ধে আইনের সাহায্য নিচ্ছে না। তারা বলছেন, মানিক এলাকায় বলে বেড়ায় টাকা হলে সব হয়। প্রশাসন নাকি তার কেনা। কেউ তার কিছু করতে পারবে না। তবে স্থানীয়দের একাধিক জন জানান, মানিক এক জায়গায় বেশি সময় থাকে না। রহস্যজনক কারণে বার বার জায়গা পরিবর্তন করে। 

স্থানীয় এলাকাবাসী জানায়, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি মজিবুর রহমানের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠজন ছিলেন ওলামালীগ নেতা মাহবুব হোসেন মানিক। মজিবুর রহমানের আর্শিবাদে সে ওলামালীগের বড় পদ পায়। 

৫ আগস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর চতুর মানিক কিছুদিন গা-ঢাকা দিয়ে থাকে। পরে কৌশলে স্থানীয় বিএনপির কতিপয় নেতাদের সাথে আতাত করে এলাকায় ফিরে আসে। এরপর ধুরুন্ধবাজ মানিক একদিকে বিএনপির স্থানীয় নেতাদেন সঙ্গে আতাত রেখে চলছে অন্যদিকে গোপনে আওয়ামীলীগের পলাতক শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখছে। বিশেষ করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি মজিবুর রহমানের ব্যবসা-বাণিজ্য ও সম্পদ দেখা শোনা করছে। 

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তির প্রভাব কাজে লাগিয়ে মাহাবুব হোসেন মানিক নানা অপকর্ম করেছে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর কিছুদিন আড়ালে থাকলেও সম্প্রতি তিনি আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছেন।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, আওয়ামীলীগের দোসর অনেকেই ৫ আগস্টের পর পালিয়ে গেছে। ওলামালীগের দোসর মানিক কিভাবে এলাকায় বিচরণ করছে। এবং কারা তাকে প্রশ্রয় দিচ্ছে, এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারা। 

তারা আরও বলেন, মানিককে আইনের আওতায় নেয়া হলে বৈষম্যবিরোধী মামলায় আসামি হওয়া পলাতক সিদ্ধিরগঞ্জের অনেক আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের অবস্থান জানা যাবে।

অভিযোগ সম্পর্কে জানতে মাহবুব হোসেন মানিকের ব্যক্তিগত মোবাইলে ফোন দিলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে সাংবাদিকের নাম্বার ব্লক লিস্টে ফেলে দেন। ফলে তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।