নারায়ণগঞ্জের বন্দরে আলোচিত ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ, বন্দর থানা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান বুলবুল হত্যা মামলায় শেখ সিফাত গ্রুপের তিন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে বন্দর থানা পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—বন্দর থানার কদম রসুল কলেজ মাঠপাড়া এলাকার মজিবর রহমানের ছেলে আল-আমিন (২৯), একই এলাকার রতন মোল্লার ছেলে মাসুদ রানা (২০) এবং কামাল ওরফে কালাম মিয়ার ছেলে নাজমুল (২৫)।
পুলিশ জানায়, গত রোববার (৩০ আগস্ট) রাত সোয়া ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কদম রসুল কলেজ মাঠপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে তাদের বন্দর থানায় দায়ের করা হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
কীভাবে ঘটেছিল বুলবুল হত্যাকাণ্ড
মামলা ও স্বজনদের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান আন্দোলনে অংশ নেওয়াকে কেন্দ্র করে বুলবুলের রিকশার গ্যারেজে শেখ সিফাতের নেতৃত্বে হামলা ও লুটপাট চালানো হয়েছিল। এ ঘটনায় শেখ সিফাতকে প্রধান আসামি করে বন্দর থানায় মামলা দায়ের করেন বুলবুল।
স্বজনদের দাবি, মামলা দায়েরের পর থেকেই সেটি প্রত্যাহারের জন্য বুলবুলকে বিভিন্ন সময় হুমকি দেওয়া হচ্ছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের সালেহনগর এলাকায় তাহের মিয়ার বাড়ির সামনে বুলবুলের ওপর হামলা চালানো হয়।
স্বজনদের অভিযোগ, শেখ সিফাতের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি বুলবুলকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় বন্দর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে এরই মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


































