নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা মডেল থানার হাজতে বসে নিষিদ্ধ সংগঠনের আটক সদস্যরা 'জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু' স্লোগান দিয়ে তা মোবাইলে ভিডিও করে ফেসবুকে ছড়ানোর ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
তারা হলেন, ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুল ইসলাম ও কনস্টেবল জাহাঙ্গীর হোসেন। তাদেরকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। তাদের অপরাধ ঘটনার পর দায়িত্বে অবহেলা।
সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী বলেন, দায়িত্বে অবহেলার কারণে ওই থানার একজন উপপরিদর্শক ও একজন কনস্টেবলকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।
সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের পক্ষে মিছিলের প্রস্তুতির সময় আটক ১০ কিশোর-তরুণ থানা হাজতে বসে মোবাইলে ধারণ করা স্লোগানের একটি ভিডিও ভিডিও করে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। গত শনিবার রাতে তারা আটক হন।
ভিডিওটি ‘আজমেরী ওসমান’ নামে একটি ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হয়েছে। প্রয়াত সংসদ সদস্যের ছেলে আজমেরী ওসমান জুলাই আন্দোলনে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযুক্ত এবং পলাতক রয়েছেন।
আটক কিশোর-তরুণরা তার পক্ষেই মিছিলের প্রস্তুতি নিয়েছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আটকের পর পুলিশি হেফাজতে থাকা ব্যক্তিরা হাজতের ভেতরে হাতে মোবাইল ফোন কীভাবে পেলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল।
তদন্তের পর ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুব আলম বলেন, হাজতখানায় থাকা অবস্থায় পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য এসআই মনিরুল ইসলাম আটক ব্যক্তিদের মুঠোফোন ব্যবহার করতে দিয়েছিলেন। এ সুযোগে তাঁরা স্লোগান দিয়ে ভিডিও ধারণ করেন এবং পরে তা ফেসবুকে ছড়িয়ে দেন।
তিনি আরও বলেন, নিয়ম অনুযায়ী আটক ব্যক্তিদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়টি পুলিশকে নিশ্চিত করতে হয়। সরল বিশ্বাসে মুঠোফোন ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার পরই ঘটনাটি ঘটে।


































