নারায়ণগঞ্জ টাইমস | Narayanganj Times

শনিবার,

০৩ অক্টোবর ২০২৬

ফতুল্লা

ফতুল্লা

নারায়ণগঞ্জে মাদ্রাসার ছাদে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট, আরও এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু

নারায়ণগঞ্জে মাদ্রাসার ছাদে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট, আরও এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মাদ্রাসার ছাদে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দগ্ধ পাঁচ শিক্ষার্থীর মধ্যে জিদনি (১৪) নামে আরও এক শিক্ষার্থী মারা গেছে। বুধবার (৩০) ভোরে চিকিৎসাধী অবস্থায় সে মারা যায়। জিদনি ৮২ শতাংশ ইলেকট্রিক ফ্ল্যাশ বার্ন নিয়ে আইসিইউতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন ছিল। এর আগে মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে আতিয়া নামে ১১ বছরের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। সে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ছিল। জিদনির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের আবাসিক সার্জন ডা. সুলতান মাহমুদ শিকদার। তিনি জানান, তার শরীরের ৮২ শতাংশ ইলেকট্রিক ফ্ল্যাশ বার্ন ছিল। বর্তমানে ১৩ বছর বয়সী লামিয়া গুরুতর অবস্থায় আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার শরীরের ৫৫ শতাংশ ইলেকট্রিক ফ্ল্যাশ বার্ন হয়েছে বলে জানান চিকিৎসক। লামিয়া ৫৫ শতাংশ ইলেকট্রিক ফ্ল্যাশ বার্ন নিয়ে আইসিইউতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। এদিকে, তুলনামূলক কম দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া আছিয়া ও সুমাইয়ার শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল। তাদের আইসিইউ থেকে ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়েছে। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় মাদ্রাসার চারতলা ভবনের ছাদে খেলছিল কয়েকজন শিক্ষার্থী। তাদের সঙ্গে খাওয়ার জন্য আখও ছিল। ছাদের ওপর দিয়ে ৩৩ হাজার ভোল্টের বিদ্যুতের সঞ্চালন লাইন চলে গেছে। অসাবধানতাবশত আখ বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে এলে বিকট শব্দে ঝলকানি ও আগুনের সৃষ্টি হয়। এতে পাঁচ শিক্ষার্থী দগ্ধ হন। পরে মাদ্রাসার শিক্ষক ও স্থানীয় লোকজন আহত শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার গুরুতর হওয়ায় সেখান থেকে তাদের রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়।

১১:২৭ এএম, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বুধবার

ফতুল্লা থানার ভেতর ঢুকে, থানার ইট খুলে নেয়ার হুশিয়ারি এনসিপি নেতার

ফতুল্লা থানার ভেতর ঢুকে, থানার ইট খুলে নেয়ার হুশিয়ারি এনসিপি নেতার

ফতুল্লা থানার ভেতর ঢুকে থানার ইট খুলে ফতুল্লা মডেল থানার ইট খুলে নেয়ার হুশিয়ারি এনসিপি নেতার ফতুল্লা মডেল থানার ভেতর ঢুকে থানার ইট খুলে নেয়ার হুশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পাটি (এনসিপি) নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির আহবায়ক যুবায়ের সরদার। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে ফতুল্লা মডেল থানার ভেতরে ওসির কক্ষের সামনে যুবাইর সরদারকে বলতে শোনা যায়, “আমি যুবাইর সরদার, নারায়ণগঞ্জ এনসিপির আহ্বায়ক। যদি আমার কোনো কর্মীর গায়ে হাত তোলে, লাশের বদলে লাশ নিবো। আমার একজন নেতাকর্মীর গায়ের রক্ত পড়ে আরেকবার, থানার ইটকল পর্যন্ত খুলে নেবো।” এই বক্তব্যের ১৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিও এনসিপির নেতা-কর্মীরাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেছেন। সেখানে উত্তেজিত কণ্ঠে নেতা-কর্মীদের সামনে এ ধরনের বক্তব্য দিতে শোনা যায় যুবাইর সরদারকে। এই সময় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুব আলম তার কক্ষের ভেতরে ছিলেন বলে জানান। ওসি বলেন, “এই ধরনের বক্তব্য কেউ দিয়েছে কিনা আমি তা শুনিনি। তখন আমি ভেতরে ছিলাম। কিন্তু এমন বক্তব্য কেউ দিয়ে থাকলে তা ভালো চর্চা নয়। ওনারা দায়িত্বশীল পদে অবস্থান করে এইভাবে থানার ভেতরে বক্তব্য রাখতে পারেন না।” তিনি বলেন, “এই ধরনের বক্তব্যের কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে যদি কোনো ব্যত্যয় ঘটে তাহলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে সেভাবে ব্যবস্থা নেবেন,”। এর আগে, সোমবার রাত ৮টার দিকে ফতুল্লারে বক্তাবলী বাজার এলাকায় হামলার শিকার হন এনসিপির জেলা কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক তাওহীদুল ইসলাম। এনসিপি নেতাদের দাবী, ধলেশ্বরী নদীর তীরে অবৈধভাবে মাটি কাটা নিয়ে বক্তব্য রাখায় বক্তাবলী ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হালিম আজাদের নির্দেশে স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা এ হামলা চালান। হামলার ঘটনার পর এনসিপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা ফতুল্লা মডেল থানার ভেতরে অবস্থান নেন। থানার সামনে মিছিল করেন এবং বিএনপির লোকজনের বিরুদ্ধে স্লোগানও দেন। রাতে থানায় যান এনসিপি’র স্থানীয় সংসদ সদস্য (নারায়ণগঞ্জ-৪) আব্দুল্লাহ আল আমিনও। পরে রাতেই এনসিপির যুব উইং জাতীয় যুবশক্তির জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হাসান বাদী হয়ে হালিম আজাদসহ ১৬ জন বিএনপি নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি মামলা করেন। তবে, এই মামলায় এখন পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।নেয়ার হুশিয়ারি এনসিপি নেতার

০৯:০৬ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ মঙ্গলবার