
বন্দরে অপারেশন ডেভিল হান্ট অভিযানে আওয়ামীলীগ ও যুবলীগের ২ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো বন্দর উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের চর ইসলামপুর এলাকার মৃত আবুল হোসেন মিয়ার ছেলে মুছাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সহ সভাপতি ও মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নং ওয়ার্ডের মেম্বার মাহাবুব আলম (৪৮) ও বন্দর থানার চাপাতলি এলাকার মৃত হাজী রশিদ মিয়ার ছেলে ২৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি নাজিম উদ্দিন মাহমুদ (৫৫)।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্য যুবলীগ নেতা মাহাবুব আলমকে বন্দর থানার দায়েরকৃত ১৮(২)২৫ ও অপর ধৃত নাজিম উদ্দিন মাহমুদকে বন্দর থানার অপর দায়েরকৃত ১৭(৮)২৪ নং মামলায় রোববার (৩১ আগস্ট) দুপুরে বন্দরে দায়েরকৃত ২টি পৃথক রাজনৈতিক মামলায় আদালতে প্রেরণ করেছে পুলিশ। এর আগে গত শনিবার (৩০ আগস্ট) রাতে বন্দর থানার চর ইসলামপুর ও চাঁপাতলী এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে এদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলা ও বিভিন্ন তথ্য সূত্রে জানা গেছে,গত ৫ আগস্ট ২০২৪ ইং সকাল ১১টায় বন্দর থানার একরামপুরস্থ কদম রসুল কলেজের সামনে ধৃত যুবলীগ নেতা মাহাবুব আলমসহ আওয়ামীলীগ ও জাতীয় পার্টির দোসররা দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনরত শিক্ষার্থী আশিককে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে ও পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। এ ব্যাপারে আহত আশিক বাদী হয়ে বন্দর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
এ ছাড়াও গত ২০ জুলাই ২০২৪ইং রাত পৌনে ৪টায় বন্দর উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি এম এ সালাম, ও তার ২ ভাই শাহ আলম ও আলী নূর ও যুবলীগ নেতা অহিদ নেতৃত্বে ধৃত আসামী নাজিম উদ্দিন মাহমুদসহ ৩৬ জন এজাহারভূক্ত আসামীসহ অজ্ঞাত নামা ২০/৩০ জন সন্ত্রাসী আধিপত্য বিস্তারসহ উপজেলা বিএনপি নেতা মাজহারুল ইসলাম হিরনের বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলাসহ গুলি বর্ষন করে।
এ ব্যাপারে উপজেলা বিএনপি সভাপতি হিরন বাদী হয়ে বন্দর থানায় ১৭(৮)২৪ নং মামলা দায়ের করলে পুলিশ ওই মামলায় আওয়ামীলীগ নেতা নাজিম উদ্দিন মাহমুদকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।