নারায়ণগঞ্জ টাইমস | Narayanganj Times

সোমবার,

০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সিদ্ধিরগঞ্জে বালু ভরাট কাজ বন্ধ করে দিয়ে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, থানায় অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জ টাইমস

প্রকাশিত:২০:৩৭, ৩১ আগস্ট ২০২৫

সিদ্ধিরগঞ্জে বালু ভরাট কাজ বন্ধ করে দিয়ে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, থানায় অভিযোগ

সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি আলামিননগর এলাকায় নিজ জমিতে বালু ভরাট করে কাজ করার সময় দাবিকৃত ৫ লাখ টাকা চাঁদা না পাওয়ায় কাজ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে সংঘবদ্ধ একটি চাঁদাবাজ চক্রের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো: মোজাম্মেল হক বাদী হয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় ৩ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জনের বিরুদ্ধে ৫ লাখ টাকা চাঁদার অভিযোগ দায়ের করেন। বিবাদীরা হলো- সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি মজিববাগ এলাকার মৃত আমির হোসেনের ছেলে মো: মানিক (৩৫), মালেক (৩৮) ও মো: রবিউল (৪২) সহ অজ্ঞাতনামা আরো ১০/১২ জন চাঁদাবাজ চক্র।

স্থানীয়রা জানান, এই চাঁদাবাজ চক্রটি স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ আমলেও প্রভাব দেখিয়ে বিভিন্ন নিরহ মানুষদের কাছে চাঁদা চেয়ে হয়রানি করতো। কিছুদিন তারা লুকিয়ে থাকলেও আবার মাথা নাড়া দিয়ে উঠছে। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করার দাাব জানান বসবাসরত নিরহ ব্যক্তিরা।

অভিযোগে বাদী উল্লেখ করেছেন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন মিজমিজি আলামিননগর সাকিনস্থ জনৈক কবির মিয়ার বাড়ী সংলগ্ন আমি (মোজাম্মেল হক) সহ আমার পার্টনার মো. রাসেল হোসেন (৩২) পিতা মৃত আইয়ুব আলী, মো. শেখ ফরিদ ভূঁইয়া (৫০) পিতা মৃত হাজী নান্নু ভূঁইয়ার মালিকানাধীন ৫.৭৫ শতাং জমি রয়েছে।

গত ২৯ আগস্ট তারিখে আনুমানিক দুপুর আড়াইটার দিকে ঘটিকার সময় উক্ত জমিতে লেবার দ্বারা বালু ভরাট করিতে থাকিলে উপরোক্ত বিবাদীরা সংঙ্গবদ্ধ চাঁদাবাজ বাহীনি নিয়ে কর্মরত লেবারদের হুমকি-ধমকি দিয়ে কাজ করতে বাঁধা প্রদান করে। 

এমন ঘটনার সংবাদ পেয়ে আমার জমির কাছে গেলে বিবাদীরা আমাদের নিকট পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। আমরা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বিবাদীরা আমাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। একপর্যায়ে আমাদেরকে মারপিট করিতে উদ্যত হয়।

আমরা তাদের দাবিকৃত চাঁদা পাঁচ লাখ টাকা না দিলে আমাদের জমিতে বালু ভরাটসহ কোন কাজকর্ম করতে দিবে না মর্মে হুমকি দেয়। এবং এ বিষয়ে থানা পুলিশের আশ্রয় নিলে বিবাদীরা আমাদেরকে খুন-জখম করবে বলে বিভিন্ন ধরণের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে চলে যায়। 

এঘটনার অভিযোগ তদন্তকারী সিদ্ধিরগঞ্জ থানার কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) মনির হোসেন বলেন অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্তনাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।