বন্দরে খেয়াঘাট থেকে ছিড়া টাকা দেওয়ার ঘটনায় প্রতিবাদ করার জের ধরে জনী (৩৩) নামে এক খেয়াঘাটের যাত্রীকে লাঞ্চিত করে প্রাননাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে ঘাট ইজারাদারের কর্মচারিদের বিরুদ্ধে।
এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী খেয়াঘাটের যাত্রী বাদী হয়ে ঘটনার ওই দিন বিকেলে ঘাট কর্মচারি ইসমাঈলসহ অজ্ঞাত নামা ৮/১০ জনকে আসামি করে সদর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। এর আগে রোববার (১৮ জানুয়ারি) বেলা পৌনে ১টায় বন্দর ১নং খেয়াঘাটে এ ঘটনাটি ঘটে।
অভিযোগের তথ্য সূত্রে জানা গেছে, বন্দর থানার সোনাকান্দা এনায়েতনগর এলাকার বাবুল মিয়ার ছেলে জনী লেখাপড়া পাশাপাশি র্দীঘদিন ধরে শহরে কাজ করে আসছে। কাজ করার সুবাদে প্রতিদিনই এ ঘাট দিয়ে শহর যেতে হয় খেয়া পারাপারের যাত্রী জনীকে।
প্রতিদিনের ন্যায় রোববার বেলা ১১টায় জনী প্রয়োজনীয় কাজে শহরের যাওয়া উদ্দেশ্য বন্দর ১ নং খেয়াঘাটে ট্রলার দিয়ে নদী পাড় হয়।
পরে যাত্রী জনী ঘাটে এসে ২ টাকা ভাংতি না থাকায় ঘাট ইজারাদার লোককে ১০ টাকার একটি নোট দেয়। ওই সময় ঘাটে টাকা তোলার কাজে নিযুক্ত এক কর্মচারি ১০টাকা নোট ছিড়া এবং এ টাকা চলবে না বলে জানায়। পরে তার অন্য এক বন্ধু তার ঘাট ভাড়া দিলে সে চলে আসে।
একই তারিখ দুপুর পৌনে ১টায় জনী পুনরায় বন্দর খেয়াঘাট পাড় হওয়ার সময় তার কাছে ভাংতি টাকা না থাকায় ঘাটে ১০০ টাকার নোট দেয়।
ঐ টাকা তারা ভাংতি করার জন্য ঘাটে অন্যপাশে টাকা তোলা ও ভাংতি টাকা সরবরাহের কাজে নিয়োজিত তাদের ২ জন লোকের কাছে পাঠায়। তারা উক্ত যাত্রী কাছ থেকে ২ টাকা ঘাট ভাড়া রেখে ৯৮ টাকা ফেরত দেয়। যাহার মধ্যে একটি ২টাকার নোট, একটি ১০টাকার নোট ও একটি ২০টাকার ছিড়া ও কাটা নোট ফেরত দেয়।
ছিড়াফাড়া টাকা দেখে ওই সময় খেয়া পারাপারের যাত্রী জনী ঘাট ইজারাদারের কর্মচারিদের জানায় সকালে ১০টাকার নোট সামান্য ছিড়া কসটেপ লাগানো থাকায় আপনারা ঐ টাকা নিলেন না, এখন আপনারা ১০০ টাকার নোটের ভাংতির সাথে ৩টি ছিড়া কাটা নোট দিয়ে বলছেন এই টাকা গুলো নিতে।
ওই সময় ইসমাঈলসহ অজ্ঞাত নামা ৮/১০ কর্মচারি উত্তেজিত হয়ে খেয়া পারাপারের যাত্রী জনীকে লাঞ্চিত করে প্রাননাশের হুমকি প্রদান করে এবং তার সাথে থাকা মোবাইলসেট ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালায়। ঘাট ইজারাদারের কতিপয় কর্মচারিদের এমন আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে উপস্থিত সাধারণ যাত্রীগন।


































