নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী বন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি জনাব মো. আতাউর রহমান, সহ-সভাপতি দ্বীন ইসলাম দিপু এবং উপদেষ্টা জিএম মাসুদ কে স্ব স্ব পদ থেকে স্থায়ীভাবে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।
একইসাথে তাদেরকে কেন সদস্য পদ থেকে স্থায়ীভাবে অব্যাহতি দেওয়া হবে না, এ মর্মে লিখিত জবাব দিতে নোটিশ ইস্যু করা হয়।ক্লাবের অনুদানের অর্থ সংক্রান্ত তথ্য গোপন করার অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন এবং অধিকাংশ সদস্যদের লিখিত অনাস্থা প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে জরুরি সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
এর আগে ২ ডিসেম্বর -২০২৫ তারিখের সভায় সভাপতি আতাউর রহমান ও অপর দুজনের উপস্থিতিতে তাদের অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যাবস্থা গ্রহণের দাবী জানান সদস্যরা। তৎপ্রেক্ষিতে তাদের স্ব স্ব পদ সাময়িক স্থগিত করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।একইসাথে কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি মামুন মিয়া কে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারী) সকালে প্রেসক্লাব অডিটোরিয়ামে এক জরুরি সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
জরুরি সভায় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ হওয়ায় সকলের সম্মতিতে আনুষ্ঠানিক গ্রহণ করার পাশাপাশি বিষদভাবে পর্যালোচনা সহ সংগঠনের সর্বোত্তম স্বার্থ বিবেচনা করে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সহ উপস্থিত সকল সদস্য একমত হয়ে এ সিদ্ধান্ত দেন। এই সিদ্ধান্তটি তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী গঠনতন্ত্রের অনুচ্ছেদ ১৩ এর ‘ঘ’ ও ঙ এবং ১১ “খ ও ঘ” লঙ্ঘন হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হয়েছে।
সুতরাং অনুচ্ছেদ ১১ ‘ঘ’ ধারা মোতাবেক কেন তাদের সদস্য পদ থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে না এই বিষয় ব্যাখা চাওয়া হয়। সংগঠনের কার্যক্রম অব্যাহত ও কার্যকর পরিচালনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
জরুরী সভায় অধিকাংশ সদস্য পুনর্ব্যক্ত করেন যে,প্রেসক্লাবের স্বার্থ রক্ষা সবসময় সবক্ষেত্রেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে।তাই সংগঠনের মর্যাদা ও সম্মান রক্ষা করতে সবাই পূর্ণভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এই প্রেক্ষাপটে সংগঠন আশা করছে যে, সকলেই সংগঠনের উন্নয়নের জন্য সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব এবং আত্মনিয়োগ প্রদর্শন করবেন।একইসাথে অব্যাহত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন।


































