নারায়ণগঞ্জ টাইমস | Narayanganj Times

সোমবার,

১০ আগস্ট ২০২৬

আড়াইহাজারে চালককে হত্যা করে অটোরিকশা ছিনতাই, গ্রেপ্তার ২

নারায়ণগঞ্জ টাইমস:

প্রকাশিত:২২:৪৩, ৯ আগস্ট ২০২৬

আড়াইহাজারে চালককে হত্যা করে অটোরিকশা ছিনতাই, গ্রেপ্তার ২

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে অটোরিকশা (মিশুক) চালক ওয়ালি উল্লাহ (২০) হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ সময় 

দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয় । তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ছিনতাই হওয়া মিশুক ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

রবিবার (৯ আগস্ট) দুপুরে পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলা কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।

পিবিআই জানায়, গত ৫ জুলাই অসুস্থ বাবার পরিবর্তে মিশুক চালাতে বের হওয়ার পর ওয়ালি উল্লাহ নিখোঁজ হন। মোবাইল ফোন বন্ধ পেয়ে পরিবার ৬ জুলাই সোনারগাঁ থানায় সাধারণ ডায়েরি করে। একই দিন আড়াইহাজার উপজেলার উচিতপুরা ইউনিয়নের গ্রুপদী গ্রামের একটি নির্জন স্থান থেকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্নসহ তার মরদেহ উদ্ধার হয়।

 

এ ঘটনায় নিহতের বাবা হারুন রশিদ অজ্ঞাতনামা ৫ থেকে ৬ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তি, সিসিটিভি ফুটেজ, গোয়েন্দা তথ্য ও বিভিন্ন রুট বিশ্লেষণ করে গত ২ আগস্ট সোনারগাঁ থেকে আওলাদ হোসেন (২৬) ও শাহিনকে (৩১) গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ৬ আগস্ট শাহিনের বাড়ি থেকে নিহতের ব্যবহৃত স্যামসাং মোবাইল ফোন ও একটি বাংলালিংক সিম এবং পরদিন মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ার ভবেরচর এলাকা থেকে ছিনতাই হওয়া মিশুকটি উদ্ধার করা হয়।

পিবিআইর আরো জানায়, গ্রেপ্তার দুই আসামিসহ চার থেকে পাঁচ সদস্যের একটি সংঘবদ্ধ চক্র বারদী অটো স্ট্যান্ড থেকে পরিকল্পিতভাবে মিশুক ভাড়া করে আড়াইহাজারের সুলতানশাদী বাজারে যায়।

 

ফেরার পথে গ্রুপদী গ্রামের নির্জন স্থানে চালক ওয়ালি উল্লাহকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে তার মিশুক ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। পরে মিশুকটি ভবেরচর এলাকায় বিক্রি করে দেওয়া হয়। পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে গত ৮ আগস্ট আদালতে হাজির করা হলে আসামি শাহিন ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দেন।

পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মো. মোস্তফা কামাল রাশেদ (বিপিএম) বলেন, ‘তথ্যপ্রযুক্তি, সিসিটিভি ফুটেজ, গোয়েন্দা তথ্য ও ধারাবাহিক তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার এবং তদন্ত কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে।