নারায়ণগঞ্জ টাইমস | Narayanganj Times

বুধবার,

২৯ মে ২০২৪

গ্যাস লাইনে অগ্নিকান্ডে শহর ফতুল্লা সিদ্ধিরগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ ও শ্যামপুরে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ 

নারায়ণগঞ্জ টাইমস

প্রকাশিত:২৩:২৬, ১২ মে ২০২৪

গ্যাস লাইনে অগ্নিকান্ডে শহর ফতুল্লা সিদ্ধিরগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ ও শ্যামপুরে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ 

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার পঞ্চবটি-মুক্তারপুর দু’তলা সড়কের কাজ করার সময় মাটি কাটার ভেকুর আঘাতে তিতাস গ্যাসের সংযোগ পাইপ ফেটে আগুন ধরে যাবার ঘটনায় পাইপ মেরামতের কাজ চলায় নারায়ণগঞ্জ শহর, ফতুল্লা, সিদ্ধিরগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ ও শ্যামপুরের একাংশে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। 

রোববার (১২ মে) সকাল সাড়ে ১১টায় ফতুল্লার শাসনগাঁও এলাকায় বিসিক শিল্পনগরীর সামনে সড়কে এঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিট এসে আধা ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রন করেন। পরে তিতাস গ্যাসের জরুরী ইউনিট এসে গ্যাস সংযোগ বন্ধ করে দেন। 

এ ঘটনায় পাইপলাইনটির প্রায় ৬ ইঞ্চি ফুটো হয়ে যায়। এতে গ্যাসের দুইটি স্টেশন (শামপুর-সিদ্ধিরগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জ) বন্ধ রেখে পাইপটি মেরামতের কাজ চলছে। 

তিতাস গ্যাস ফতুল্লা অঞ্চলের ম্যানেজার ইঞ্জিনিয়ার মশিউর রহমান জানান, পঞ্চবটি-মুক্তারপুর সড়কে দুতলা সড়কের কাজ চলছে। এ কাজের ভেকু চালকের অসাবধানতার কারনে গ্যাসের মূল সংযোগ পাইপ ফেটে গেছে। বড় ফুটো হয়ে গেছে প্রায় ৬ ইঞ্চি। এজন্য গ্যাসের দুইটি স্টেশন (শামপুর-সিদ্ধিরগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জ) বন্ধ রাখা হয়েছে। 

তিনি জানান, এ ঘটনায় মুন্সিগঞ্জের যেহেতু এটি মেইন লাইন তাই সেখানকার গ্যাস সরবরাহ বন্ধ আছে। নারায়ণগঞ্জের শহর, ফতুল্লা, সিদ্ধিরগঞ্জের গ্যাস সরবরাহ বন্দ আছে এবং ঢাকার শ্যামপুরের একাংশ এতে বন্ধ আছে। 

কাজ শেষ হতে আনুমানিক রাত ১ টা বা তার বেশী সময়ও লাগতে পারে বলে জানান তিনি। কাজ শেষে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে। 

এদিকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছে দেশের অন্যতম শিল্পাঞ্চল নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার বিসিক এলাকায় গ্যাসের উপর নির্ভরশীল শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো। একই সাথে বিপাকে পড়েছেন সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোও। 

নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ সহকারী পরিচালক ফখরুদ্দিন জানান, পঞ্চবটি থেকে মুন্সিগঞ্জ যাওয়া গ্যাসের মূল সংযোগ পাইপ ফেটে গিয়েছে। আর ওই ফাটল থেকেই আগুনের সূত্রপাত।

আমাদের ৬টি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রন করেছে। এতে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে পাশের টিনের একাধিক ঘর পুড়ে গেছে।