নারায়ণগঞ্জ টাইমস | Narayanganj Times

বৃহস্পতিবার,

২৩ জুলাই ২০২৬

যুবদল নেতা আনু হত্যা মামলার বাদীকে মব করে পুলিশে দেয়ার অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জ টাইমস

প্রকাশিত:১৯:২৬, ২ এপ্রিল ২০২৬

যুবদল নেতা আনু হত্যা মামলার বাদীকে  মব করে পুলিশে দেয়ার অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের সাবেক সহসভাপতি আনোয়ার হোসেন আনু হত্যা মামলার বাদী তার বড় ভাই আবুল কাশেম বাদশাকে মব করে পুলিশের কাছে তুলে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে এই মামলার প্রধান আসামী ফতুল্লা থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রাসেল মাহমুদের অনুসারীদের বিরুদ্ধে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) আদালতে অন্য এক মামলায় বাদী হিসেবে হাজিরা দিয়ে বাড়িতে যাওয়ার পথে রাসেলের নির্দেশে চানমারি এলাকায় নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স ভবনের সামনে থেকে প্রায় ১৫-২০ জন অনুসারী জোরপূর্বক পথরোধ করে পুলিশের কাছে তুলে দেয় আবুল কাশেম বাদশাকে।

পুলিশ পরবর্তীতে ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসের ফতুল্লা থানায় করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে ৮/৯/১০/১১/১২ ধারাতে তাকে গ্রেফতার দেখায়। যার মামলা নম্বর ১(১১)২৫। যেখানে এজহার অনুযায়ী তিনি ৩৬ নম্বর আসামী হিসেবে রয়েছেন।

আবুল কাশেম বাদশার পরিবারের দাবি, তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন না। তিনি একজন ব্যবসায়ী। বড় ভাইয়ের মামলার বাদী হওয়ার কারণে ফতুল্লা থানায় প্রভাব খাটিয়ে এ মামলায় তাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

এর আগে, ২০২৪ সালের ২৬ আগস্ট শহরের মাসদাইর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠের পশ্চিম পাশে হেলেনা সেঞ্চুরি এ্যাপার্টমেন্টের লিফটের ফাঁকা জায়গার নীচতলা থেকে যুবদল নেতা আনোয়ার হোসেন আনুর লাশ উদ্ধার করা হয়। সংবাদ পেয়ে পিবিআই ক্রাইমসিন টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে আলামত জব্দ সহ আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনায় জড়িত আসামিদের সনাক্ত করণ কার্যক্রম শুরু করে।

নিহত বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন আনু হলেন দেওভোগ এলএন রোড এলাকার মৃত হাজী সায়েদ আলীর ছেলে ও মহানগর যুবদলের সাবেক সহ সভাপতি। এ ঘটনায় নিহতের ভাই আবুল কাশেম বাদশা বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা রাসেলসহ নিহতের স্ত্রী, সন্তান, শ্যালকসহ ৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়।

মামলা দায়েরের পর পুলিশ এই বছরের ৭ নভেম্বর গ্রেফতার করে প্রধান আসামী স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা রাসেল মাহমুদ ও তার স্ত্রী পাপিয়া আক্তার পান্নাকে। পরবর্তীতে জামিনে বেরিয়ে আসে তারা।