নারায়ণগঞ্জ টাইমস | Narayanganj Times

শুক্রবার,

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কাঁচপুরে ব্যবসায়ী হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ২, আদালতে স্বীকারোক্তী

নারায়ণগঞ্জ টাইমস:

প্রকাশিত:২১:৪১, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কাঁচপুরে ব্যবসায়ী হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ২, আদালতে স্বীকারোক্তী

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের কাঁচপুরে ভাঙারি ব্যবসায়ী আয়ুব হোসেন (৩৫) হত্যার ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের মধ্যে একজন আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

 

বৃস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। 

 

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী থানার মাস্টারপাড়া এলাকার মৃত মানিক মিয়ার ছেলে মো. শাহিনুর ইসলাম (৩০) এবং নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর উত্তরপাড়া এলাকার মৃত ছাহাদ আলীর ছেলে মো. জামির হোসেন (৫৭)।

 

পুলিশ জানায়, গত ১৫ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টার দিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে খবর পেয়ে সোনারগাঁ থানা পুলিশ সোনাপুর জালালাবাদ ওষুধ ফ্যাক্টরির পরিত্যক্ত ভাঙারি গোডাউনের পূর্ব পাশে একটি ডোবা থেকে সাদা প্লাস্টিকের মুখ বাঁধা বস্তাবন্দি অবস্থায় রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে। পরে মরদেহটির পরিচয় শনাক্ত করা হয়। নিহতের স্ত্রী মাহফুজা আক্তার বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের সমন্বয়ে তদন্ত চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

 

পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তারদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, শাহিন ও জামিরসহ আরও কয়েকজন মিলে আয়ুব হোসেনকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী ১০টি ইয়াবা ট্যাবলেট ও টাকার বিনিময়ে শাহিনকে ব্যবহার করে আয়ুবকে তার ভাঙারির দোকানে প্রবেশ করানো হয়। পরে সেখানে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়। হত্যার পর মরদেহ বস্তাবন্দি করে ঘটনাস্থলের পাশের ডোবায় ফেলে দেওয়া হয় বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

 

নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী জানান, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে পুলিশ দ্রুত তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের সমন্বয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্য সহযোগীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের পাশাপাশি ব্যবহৃত অস্ত্র এবং অন্যান্য আলামত উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।