নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সদস্য ও দৈনিক ইনকিলাবের স্টাফ রিপোর্টার, প্রবীণ সাংবাদিক হাফিজুর রহমান মিন্টু আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ভোর সোয়া ৫টার দিকে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার নিজ বাড়িতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭০ বছর। তিনি চিরকুমার ছিলেন।
তাঁর ছোট ভাই মিলন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন হাফিজুর রহমান মিন্টু। তাঁর অসুস্থতার খবর পেয়ে গত ১৫ জুলাই নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবে তাঁর রোগমুক্তি ও সুস্থতা কামনায় বিশেষ মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সে সময় প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে তাঁকে গুরুতর অসুস্থ হিসেবে উল্লেখ করে দ্রুত আরোগ্যের জন্য দোয়া করা হয়।
দীর্ঘসময় নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি নিজ বাড়িতে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। পরে তাঁর বোন তাঁকে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
হাফিজুর রহমান মিন্টু দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে নারায়ণগঞ্জের সংবাদ অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি দৈনিক ইনকিলাবের স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের একজন সিনিয়র সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন সাংবাদিকদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বিভিন্ন সময়ে তাঁকে নারায়ণগঞ্জের প্রবীণ সাংবাদিক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
২০২২ সালে দেশের তৃণমূল সাংবাদিকতায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ নারায়ণগঞ্জ জেলা থেকে বসুন্ধরা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ডে বিশেষ সম্মাননা পান হাফিজুর রহমান মিন্টু। তাঁকে সম্মাননা স্মারক, সনদ ও এক লাখ টাকা প্রদান করা হয়েছিল।
প্রবীণ এই সাংবাদিকের মৃত্যুতে নারায়ণগঞ্জের সাংবাদিক সমাজে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
হাফিজুর রহমান মিন্টুর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে নারায়ণগঞ্জ টাইমস পরিবার। একই সঙ্গে তাঁর রুহের মাগফেরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও সহকর্মীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে।


































