নারায়ণগঞ্জ টাইমস | Narayanganj Times

বুধবার,

১২ আগস্ট ২০২৬

এসএসসিতে আদর্শ স্কুল নারায়ণগঞ্জে পাসের হার ৯৪.৮০ শতাংশ

নারায়ণগঞ্জ টাইমস:

প্রকাশিত:২২:০৪, ১১ আগস্ট ২০২৬

এসএসসিতে আদর্শ স্কুল নারায়ণগঞ্জে পাসের হার ৯৪.৮০ শতাংশ

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় নারায়ণগঞ্জের আদর্শ স্কুলের শিক্ষার্থীরা আশাব্যঞ্জক ফলাফল অর্জন করেছে। এ বছর বিদ্যালয়টির সার্বিক পাসের হার ৯৪ দশমিক ৮০ শতাংশ। 

 

বিদ্যালয়ের প্রকাশিত ফলাফল বিবরণী অনুযায়ী, বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীরা এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। ফলাফলে A+, A, A-, B, C ও D গ্রেডে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। একই সঙ্গে ফলাফল বিবরণীতে অনুত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংখ্যাও উল্লেখ রয়েছে। 

 

আদর্শ স্কুলের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন গ্রেডে কৃতকার্য হয়েছে। ফলাফল বিবরণীতে বালক ও বালিকা শিক্ষার্থীদের ফলাফল পৃথকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। উচ্চতর গ্রেডের পাশাপাশি A, A-, B ও C গ্রেডেও বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছে।

ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগেও সন্তোষজনক ফল

ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীদের ফলাফলও সন্তোষজনক। এ বিভাগে বালক ও বালিকা শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে। বিদ্যালয়ের সামগ্রিক ফলাফলে এ বিভাগের শিক্ষার্থীদের অবদান রয়েছে। 

 

বিদ্যালয়ের প্রকাশিত সার্বিক ফলাফলে পাসের হার ৯৪.৮০ শতাংশ। অর্থাৎ এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে অধিকাংশই সফলতার সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছে। পাবলিক পরীক্ষায় এমন ফলাফল বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার প্রতিফলন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ফলাফল প্রকাশের পর কৃতকার্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা তাদের এ সাফল্যের জন্য বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। 

 

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ফরিদ উদ্দিন আহমদ জানান, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান, শ্রেণিকক্ষে পাঠের পাশাপাশি পরীক্ষার প্রস্তুতি, নিয়মিত মূল্যায়ন এবং শিক্ষকদের নিবিড় তদারকির কারণে এবারের ফলাফলে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। অভিভাবকদের সহযোগিতাও শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। 

 

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশা, এবারের সাফল্য শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে আরও উৎসাহিত করবে। ভবিষ্যতে ফলাফল আরও উন্নত করতে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনা, দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য বাড়তি সহায়তা এবং মানসম্মত পাঠদানের ওপর আরও গুরুত্ব দেওয়া হবে।