ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর মাত্র ২১ দিন বাকী। নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে বন্দরের মাহামুদনগর এলাকার আওয়ামীলীগের দোসর ও ছাত্র হত্যা মামলার পলাতক আসামী জাহাঙ্গীর ওরফে সাদা জাহাঙ্গীসহ তার দোসররা বেশ সক্রিয় হয়ে উঠেছে।
গত ৫ আগস্ট ছাত্র জনতার রোষানলের ভয়ে দীর্ঘ দিন পালিয়ে থাকলেও গত ১০ দিন ধরে অদৃশ্য শক্তির বলে তাকে মাহামুদনগর এলাকায় পুনরায় প্রকাশ্যে দেখা যাচ্ছে।
বিভিন্ন তথ্য সূত্রে জানাগেছে, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনকে বাধাগ্রস্থ্য করার জন্য আওয়ামীলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মী বেশ তৎপর হয়ে উঠেছে।
নির্বাচনকে বয়কটের আহবান জানিয়ে গত কদিন পূর্বে বন্দরের কলাগাছিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা সোহেলের নেতৃত্ব মশাল মিছিল বের করে। যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এ থেকে প্রতিয়মান করা যায় যে নির্বাচনকে বাধাগ্রস্থ করতে আওয়ামীলীগ ও ছাত্রলীগ দোসরা সক্রিয় রয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ২০ নং ওয়ার্ড একাধিক বাসিন্দা জানায়, বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের শাসন আমলে ওসমান পরিবারের আস্থাভাজন দোসর মাহামুদনগর এলাকার মৃত গজ নবী ওরফে জুলমত আলী ছেলে জাহাঙ্গীর ওরফে সাদা জাহাঙ্গীর উক্ত এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের মাধ্যমে ভাঙ্গারী ব্যবসার অন্তরালে অবৈধ পন্থায় লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়।
পরে সে সাবেক এমপি সেলিম ওসমানের আস্থাভাজন হিসেবে টাকার গরমে গত নাসিক নির্বাচনে অংশগ্রহন করে পরাজিত বরন করে।
বন্দর ২০ নং ওয়ার্ডের একাধিক বিএনপি নেতা গণমাধ্যমকে জানান, ফেসিস্ট সরকারের শাসন আমলে আওয়ামীলীগ দোসর জাহাঙ্গীর ওরফে সাদা জাহাঙ্গীর অত্যাচরে বিএনপি নেতাকর্মীরা চরম ভাবে অতিষ্ঠ ছিল। বিএনপির বিভিন্ন নেতা-কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখে সে নেতা হয়ে আবারও এলাকায় লুটপাটের রাজ্য গড়ে তোলার স্বপ্নে মরিয়া হয়ে উঠেছে।
ওসমান পরিবারের ঘনিষ্ঠ দোসর জাহাঙ্গীর ওরফে সাদা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক আশু কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাসহ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের সুদৃষ্টি কামনা করছে।


































