সোনারগাঁ উপজেলায় রাজনৈতিক বিরোধের জেরে এক পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় নারীসহ অন্তত চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ভুক্তভোগী মো. সাব্বির আল রাজ (২০) সোনারগাঁ থানায় দায়ের করা অভিযোগে জানান, তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনপিসি) ছাত্র সংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তির নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব। রাজনৈতিক বিরোধের জেরে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা এই হামলা চালায় বলে তিনি অভিযোগ করেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, বুধবার (১৪ জানুয়ারি ২০২৬) সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৭টার দিকে সোনারগাঁও থানাধীন মোগরাপাড়া ইউনিয়নের ইলিয়াসদি চকের বাড়ী এলাকায় তার মামা আনামত উল্লাহর বসত বাড়ীতে দেশীয় অস্ত্রসহ হামলা চালায় অভিযুক্তরা।
সাবেক ইউপি সদস্য আনোয়ার আলী মেম্বারের নেতৃত্বে তার ছেলে খোকন, সাকিল, মাহবুব, রিফাত, সাব্বির ও মোমেন দা, চাপাতি, লোহার রড, হকিস্টিক ও লাঠিসোটা নিয়ে ১০–১২ জন বাড়ির উঠানে অবৈধভাবে প্রবেশ করে হামলা চালায়।
হামলায় আনামত উল্লাহকে বেধড়ক মারধর করে নাক ও মুখে গুরুতর জখম করা হয়। তাকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে তার ভাই মোঃ মোস্তফার বাম পায়ের হাঁটুর নিচের হাড় ভেঙে দেওয়া হয়। এছাড়া বৃদ্ধা গুলে আক্তারকে কিল-ঘুষি ও লাথি মারাসহ চুল ধরে টানা-হেঁচড়া করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা অন্তঃসত্ত্বা মোসাঃ কাজলীর পেটে লাথি মেরে আহত করে।আহতদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে আহতদের সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
অভিযুক্ত খোকন বলেন, সাব্বির আল রাজের মামা মোস্তফা এলাকায় মাদক বিক্রি করে তাই এলাকাবাসী বাধা দিয়েছে। আমরা তাদের বাড়িঘর ভাঙচুর করিনি তারাই আমাদের বাড়িঘর ভাঙচুর করেছে এবং হত্যার হুমকি দিয়েছে।
সোনারগাঁ থানার ওসি মুহিবুল্লাহ জানান, এবিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


































