দেশের তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলার প্রতি আরও আগ্রহী করে তুলতে এবং একটি সুস্থ জাতি গঠনের লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
শনিবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জের মাসদাইর ওসমানী স্টেডিয়ামে বেগম খালেদা জিয়া অনূর্ধ্ব-১৭ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা উপলক্ষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলার মাধ্যমে একটি সুস্থ ও মেধাবী জাতি গঠনে কাজ করছেন। বর্তমান প্রজন্মকে মোবাইল ও বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইসের আসক্তি থেকে বের করে মাঠমুখী করতে সরকার নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করতে খেলাধুলাকে পাঠ্যক্রমে আরও গুরুত্ব দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, "আমরা খেলাধুলাকে পাঠ্যপুস্তকে বাধ্যতামূলক করার জন্য কাজ করছি। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে খেলাধুলার বিকল্প নেই। এ লক্ষ্য অর্জনে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।"
মো. আমিনুল হক জানান, চলতি অর্থবছরে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া পর্যায়ক্রমে নারায়ণগঞ্জসহ দেশের ১০টি জেলায় ১০টি আধুনিক স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, "নারায়ণগঞ্জে একটি আন্তর্জাতিক মানের স্পোর্টস ভিলেজ প্রতিষ্ঠার ইচ্ছা রয়েছে। সেখানে ফুটবল ও ক্রিকেটের পাশাপাশি আর্চারি, শুটিং, সুইমিংসহ বিভিন্ন ইনডোর ও আউটডোর খেলার আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকবে।"
টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচে নারায়ণগঞ্জ ফুটবল একাডেমি ও বন্ধন কোচিং সেন্টার মুখোমুখি হয়। নির্ধারিত সময়ে ফলাফল না আসায় ম্যাচের নিষ্পত্তি হয় টাইব্রেকারে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদ, আজহারুল ইসলাম মান্নান, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাখাওয়াত হোসেন খান, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাশুকুল ইসলাম রাজিব, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সীসহ প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
খেলা নির্ধারিত সময় শেষে ট্রাইব্রেকারেও সমতা না আসায়‘ বন্ধন কোচিং’ ও ‘ফুটবল একাডেমি’ দুই দলকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।


































