নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ এলাকায় মেঘনা নদীর তীব্র ঢেউ ও ঝড়ের মুখে পড়ে ট্রলারডুবির মর্মান্তিক ঘটনায় শেষ নিখোঁজ ব্যক্তি হেলাল উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার চার দিন পর সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রতনপুর ব্রিজের নিচ থেকে নৌ-পুলিশ তাঁর লাশটি উদ্ধার করে। এর মাধ্যমে এ ঘটনায় একই পরিবারের নিখোঁজ চার সদস্যের লাশ উদ্ধার হলো।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে কুমিল্লার হোমনা উপজেলার শ্রীমদ্দি গ্রাম থেকে এক পরিবারের সদস্যসহ মোট ১৩ জন ট্রলারযোগে সোনারগাঁয়ের সোনাময়ী গ্রামে আত্মীয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলেন। ট্রলারে দুটি গরু ও একটি ছাগলও বহন করা হচ্ছিল। মেঘনা নদীর মাঝামাঝি পৌঁছালে হঠাৎ ঝড় ও প্রবল ঢেউয়ের তোড়ে ট্রলারের ভেতরে পানি ঢুকে যায় এবং মুহূর্তেই তা ডুবে যায়।
দুর্ঘটনার সময়ে কাছে থাকা ‘আমান সিমেন্ট’ কোম্পানির একটি ট্রলার দ্রুত এগিয়ে এসে আটজন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করতে সমর্থ হয়।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাশিদা বেগম নামে এক নারীর মৃত্যু হয়। নিখোঁজ থাকেন ট্রলাতে থাকা হেলাল উদ্দিন ও তাঁর তিন সন্তান।
পরবর্তী সময়ে গত শনিবার সকালে বৈদ্যেরবাজার অঞ্চল থেকে ডুবুরি দল ও নৌ-পুলিশ হেলাল উদ্দিনের তিন সন্তান—সজীব হোসেন (২৪), সামিয়া আক্তার (১৭) ও সামিন হোসেন (৫)-এর লাশ উদ্ধার করে। আজ সোমবার বাবা হেলাল উদ্দিনের মরদেহটি উদ্ধারের মধ্য দিয়ে টানা চার দিনের উদ্ধার অভিযান ও নিখোঁজদের খোঁজের অবসান ঘটল।


































