নারায়ণগঞ্জ টাইমস | Narayanganj Times

বৃহস্পতিবার,

২৬ মে ২০২২

সোনারগাঁয়ের রয়েল

রিসোর্ট কান্ড: মামুনুলের হকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলেন আরও ২জন

নারায়ণগঞ্জ টাইমস:

প্রকাশিত:১৪:৫৫, ৯ মে ২০২২

রিসোর্ট কান্ড: মামুনুলের হকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলেন আরও ২জন

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানায় দায়েরকৃত ধর্ষণ মামলায় চতুর্থ দফায় হেফাজতে ইসলামের বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম-মহাসচিব মামুনুল হকের বিরুদ্ধে আরও দুজন সাক্ষ্য দিয়েছেন। তারা হলেন- নাজমুল হাসান শান্ত ও মো. শফিকুল ইসলাম। বেলা ১১ থেকে দুপুর সোয়া ১২টা পর্যন্ত আদালতে সাক্ষ্য দেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত ৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

 

সোমবার (৯ মে) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নাজমুল হক শ্যামলের আদালতে ৯ ও ১০ নম্বর সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

 


মামলার আসামি পক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক নয়ন বলেন, সাক্ষীরা বেশিরভাগ প্রশ্নের উত্তরে জানেন না, মনে নেই বলে জানিয়েছেন।

 

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) রকিব উদ্দিন আহমেদ বলেন, চার্জশিটের ৯ ও ১০ নম্বর সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। সাক্ষীরা সবাই মামুনুল হক ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে জানান।

 

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক সার্কেল) নাজমুল হাসান বলেন, সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য মামুনুল হককে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আদালতে আনা হয়। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আবার তাকে কাশিমপুর কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

 

এর আগে ২৫ জানুয়ারি মামুনুল হকের বিরুদ্ধে তৃতীয় দফায় সাক্ষ্য দেন সোনারগাঁ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম নান্নু, রিসোর্টের আনসার গার্ড ইসমাইল ও রিসিপশন কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান। ১৩ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দফায় মামুনুলের বিরুদ্ধে রয়েল রিসোর্টের সুপারভাইজার আব্দুল আজিজ, রিসিপশন কর্মকর্তা নাজমুল ইসলাম অনিক ও আনসার গার্ড রতন বড়াল সাক্ষ্য দেন।

 

গত ২৪ নভেম্বর প্রথম দফায় মামুনুল হকের উপস্থিতিতে কথিত তার দ্বিতীয় স্ত্রী জান্নাত আরা ঝর্ণার সাক্ষ্য নেন আদালত। একই সঙ্গে ৩ নভেম্বর মামুনুল হকের বিরুদ্ধে করা ধর্ষণ মামলায় বিচারকাজ শুরুর আদেশ দেওয়া হয়।

 

২০২১ সালের ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রয়েল রিসোর্টে এক নারীর সঙ্গে অবস্থান করছিলেন মামুনুল হক। ওই সময় স্থানীয় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এসে তাকে ঘেরাও করেন। পরে স্থানীয় হেফাজতের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এসে রিসোর্টে ব্যাপক ভাঙচুর করে তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যান। পরে ৩০ এপ্রিল সোনারগাঁ থানায় মামুনুল হকের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ মামলা করেন ওই নারী। তবে ওই নারীকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করে আসছেন মামুনুল হক।
 

সম্পর্কিত বিষয়: