নারায়ণগঞ্জ টাইমস | Narayanganj Times

সোমবার,

০৫ জানুয়ারি ২০২৬

 সোনারগাঁয়ে অবৈধ চুনা ও ঢালাই কারখানা গুড়িয়ে দিয়েছে প্রশাসন

নারায়ণগঞ্জ টাইমস

প্রকাশিত:২১:৫৮, ৪ জানুয়ারি ২০২৬

 সোনারগাঁয়ে অবৈধ চুনা ও ঢালাই কারখানা গুড়িয়ে দিয়েছে প্রশাসন

সোনারগাঁয়ে তিনটি চুনা ও একটি ঢালাই কারখানার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। রবিবার (৪ জানুয়ারি) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলার পিরোজপুর এলাকায় এসব অবৈধ চুনা ও ঢালাই কারখানায় অভিযান চালিয়ে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেওয়া হয়।

নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সায়মা রাইয়ান ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ড্রিস্টিবিউশনের মেঘনা ঘাট অঞ্চলের ম্যানেজার সুরজিত সাহা, সোনারগাঁ থানা পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিলেন।

তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ড্রিস্টিবিউশনের মেঘনা ঘাট অঞ্চলের ম্যানেজার সুরজিত সাহা জানান, সোনারগাঁয়ের পিরোজপুর ইউনিয়নের ঝাউচর এলাকায় আবুুল কাশেম মাস্টারের গড়ে তোলা ঢালাই কারখানা ও হারুন অর রশিদের চুনা কারখানা, সোনারগাঁ অর্থনীতি অঞ্চলের পাশের নোয়াব প্রধান ও এতিম খানার পাশে মতিউর রহমানের চুনা কারখানায় অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে।

এ চক্রটি প্রতিদিন ২৪হাজার ঘনফুট অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহার করছেন। ফলে প্রতিমাসে সরকার মোটা অংকের রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছেন। এর আগেও এসব কারখানায় তিতাস কর্তৃপক্ষ অভিযান পরিচালনা করে। কিন্তু অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পরদিনই সংযোগ নিয়ে পুনরায় এ অবৈধ গ্যাস সংযোগ নিয়ে ব্যবসা করে থাকেন। খবর পেয়ে এসব কারখানায় অভিযান চালিয়ে ভাট্টিগুলো গুড়িয়ে দেওয়া হয়।

তিনি আরো জানান, এসব অবৈধ গ্যাস সংযোগের কারনে সরকার প্রতিনিয়ত রাজস্ব হারাচ্ছেন। গ্যাস সংযোগ অভিযানকালে অবৈধ ব্যবসায়ীরা পলাতক থাকার কারনে তাদের জেল জরিমানা করা সম্ভব হচ্ছে না। অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন অভিযানকালে সাড়ে ৬শ ফুট পাইপ জব্দ করা হয়। এ অবৈধ গ্যাস বিচ্ছিন্ন অভিযান অব্যাহত থাকবে।  

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জানায়, অবৈধভাবে গড়ে উঠা কারখানাগুলোতে একের পর এক অভিযান পরিচালনা করে গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। কিন্তু তিতাস গ্যাস কোম্পানির কর্মকর্তা, কর্মচারীদের সহযোগিতায় মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে পুনরায় অবৈধভাবে সংযোগ দেওয়া হয়। অভিযানের খবর আগেই প্রচার করে দেয় কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। গুড়িয়ে দেওয়া প্রতিষ্ঠানের সংযোগ একাধিকবার বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল।
 

সম্পর্কিত বিষয়: