নারায়ণগঞ্জ টাইমস | Narayanganj Times

মঙ্গলবার,

২৮ জুলাই ২০২৬

নাসিকের সীমানা সম্প্রসারণ নিয়ে গণশুনানি অনুষ্ঠিত

নারায়ণগঞ্জ টাইমস:

প্রকাশিত:২২:০৫, ২৭ জুলাই ২০২৬

নাসিকের সীমানা সম্প্রসারণ নিয়ে গণশুনানি অনুষ্ঠিত

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সীমানা বর্ধিতকরণ সংক্রান্ত প্রস্তাবের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অংশীজনের মতামত গ্রহণ, জনমত যাচাই এবং প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে সোমবার (২৭ জুলাই) জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গণশুনানিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নাগরিক, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় বাসিন্দা এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজন অংশগ্রহণ করে প্রস্তাবিত সীমানা সম্প্রসারণ বিষয়ে তাঁদের মতামত, পরামর্শ ও সুপারিশ তুলে ধরেন। অংশগ্রহণকারীরা সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রম আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করতে বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

গণশুনানিতে মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু বলেন, “ফতুল্লা ও গোগনগরে ৯০ শতাংশ ভোট বিএনপির। সে কারণে অতীতে গডফাদাররা সুকৌশলে এসব এলাকাকে সিটি করপোরেশনের অন্তর্ভুক্ত হতে দেয়নি। এখন সেই পরিস্থিতি নেই। আমি আশাবাদী, জেলা প্রশাসক আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কাটিয়ে জনগণের পক্ষে ইতিবাচক প্রতিবেদন দেবেন।”

 

তিনি আরও বলেন, পাঁচটি ইউনিয়নে উল্লেখযোগ্য কৃষিজমি নেই, তবে শিল্পপ্রতিষ্ঠান, অবকাঠামো ও নগরায়ণের সব বৈশিষ্ট্য রয়েছে। তাই এসব ইউনিয়ন সিটি করপোরেশনের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সব ধরনের যোগ্যতা অর্জন করেছে।

 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোঃ রায়হান কবির। এ সময় সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, জনপ্রতিনিধিবৃন্দ, স্থানীয় বাসিন্দা এবং বিভিন্ন অংশীজন উপস্থিত ছিলেন।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, গণশুনানিতে অংশগ্রহণকারীদের মতামত থেকে প্রশাসন উপলব্ধি করেছে যে ফতুল্লা থানার চারটি ইউনিয়ন এবং বন্দর উপজেলার একটি ইউনিয়নসহ মোট পাঁচটি ইউনিয়নের সম্পূর্ণ এলাকা সিটি করপোরেশনের আওতায় আনার বিষয়ে জনমত রয়েছে।

 

তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় তদন্ত ও সরেজমিন পরিদর্শনের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। আইনসম্মত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন নিশ্চিত করাই প্রশাসনের লক্ষ্য।

 

জেলা প্রশাসক বলেন, জনকল্যাণের সিদ্ধান্ত তাড়াহুড়ো করে নেওয়া যায় না। সরকারের নির্ধারিত সব ধাপ সম্পন্ন করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো ধরনের বিতর্কের সুযোগ না থাকে।

 

গণশুনানিতে প্রাপ্ত মতামত ও সুপারিশসমূহ পর্যালোচনা করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে বলে গণশুনানিতে জানানো হয়।