ফতুল্লায় থানা সেচ্ছাসেবক দল নেতার কার্যালয়ে হামলা, ভাংচুর ও গুলি করার অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার রাত ১১টায় পূর্ব সস্তাপুর এলাকায় ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের পাশে অবস্থিত বিএনপির সহযোগী সংগঠন সেচ্ছাসেবক দল নেতার ব্যক্তিগত কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
রাতেই এ বিষয়ে ফতুল্লা থানা সেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক শাহীন মোহাম্মদ সুজন ওরফে এসকে শাহীন থানায় অভিযোগ করেছেন।
এদিকে হামলার খবর পেয়ে রাতেই বিএনপি ও শরীক দলের নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে ছুটে যায় এবং আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দ্রুত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের অনুরোধ করেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে কুতুবআইলের রবিন ওরফে পিস্তল রবিন, মিঠু, রবিনের ভায়রা খান, কিস্তি ওয়াসিম, বাপ্পি, রোহান, সোহেল ও মুন্না সহ ১৮/২০ সন্ত্রাসী বাহিনী শনিবার রাত ১১টায় তাদের তালাবদ্ধ কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে দরজা ভেঙ্গে চেয়ার টেবিলসহ আসবাবপত্রে ব্যাপক ভাংচুর চালায়।
এসময় অফিস থেকে ১০ লাখ টাকা লুটে নেয় ও সিসিটিভি ক্যামেরা ভাংচুর করে। সন্ত্রাসীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করার সময় ৮/১০টি ঔষধের পিকআপ ও সিএনজি ভাঙচুর করে এবং শর্টগান দিয়ে প্রায় ১২/১৪ রাউন্ড ফাঁকা গুলি করেনন।
সন্ত্রাসীদের প্রত্যেকেই মাথা ও মুখ কাপড় দিয়ে বেধে হামলা চালিয়েছে।
শাহীন মোহাম্মদ সুজন ওরফে এসকে শাহীন জানান, রাতে বাসায় খাবার খাওয়ার সময় একাধীক গুলির শব্দ শুনি।
এরমধ্যে একজন ফোন করে জানায় আমাদের দলীয় কার্যালয়ে ছাত্রলীগ আওয়ামীলীগের সন্ত্রাসীরা হামলা করেছে।
তখন খোঁজ নিয়ে সন্ত্রাসীদের নাম পরিচয় জানতে পেরে থানা পুলিশকে জানিয়েছি।
পুলিশ আসারপর কার্যালয়ের সিসিটিভি থেকে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের হামলার ভিডিও ক্লিপস সংগ্রহ করে নিয়ে যায়।
সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শান্তির দাবী জানাই।
এবিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবাদুল মান্নান জানান, হামলাকারীদের গ্রেফতারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়েছে।
তারা ঘটনারপরপরই আত্মগোপন করেছে। এবিষয়ে মামলা হবে।


































