নারায়ণগঞ্জ টাইমস | Narayanganj Times

মঙ্গলবার,

২৮ মে ২০২৪

অঙ্গীকার করেও থেমে নেই  মাইচ্ছা মহসিনের মাদক ব্যবসা

নারায়ণগঞ্জ টাইমস

প্রকাশিত:১৮:১৪, ১ এপ্রিল ২০২৪

অঙ্গীকার করেও থেমে নেই  মাইচ্ছা মহসিনের মাদক ব্যবসা

ভবিষ্যতে আর কখনো মাদক ব্যবসা করবেনা অঙ্গীকার করে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে লিখিত দিলেও থেমে ছিলোনা ফতুল্লাঞ্চলের শীর্ষ স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী মহসিন ওরফ মাইচ্ছা মহসিনের মাদক ব্যবসা।

তথ্য মতে,জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে তিন বছর পূর্বে মাদক ব্যবসা আর করবেনা বলে লিখিত ভাবে অঙ্গিকারবদ্ধ হয়েছিলো মহসিন ওরফে মাইচ্ছা মহসিন। অঙ্গীকারবদ্ধ হলেও সে মাদক ব্যবসায় পুরোপুরি সক্রিয় ছিলো।

তবে ভিন্ন ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে সে মাদক৷ কখনো টি শার্ট বিক্রেতা,কখনো৷ বা ফল বিক্রেতা সেজে মাদক ব্যবসা করে আসছিলো মহসিন ওরফে মাইচ্ছা মহসিন।

এভাবে চলতে চলতে বছর ঘুরতে না ঘুরতেই ২০২২ সালে ৫ হাজার পিছ ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রির নগদ ৩ লাখ টাকা সহ এক সহোযোগি কে নিয়ে ঢাকা জেলা মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের হাতে গ্রেফতার হয় মহসিন ওরফে মাইচ্ছা মহসিন।

বেশ কয়েক মাস কারাযাপনের পর আদালত থেকে জামিনে বেরিয়ে এসে আবারো পুরানো মাদক ব্যবসায় সক্রিয় হয়ে পরে মহসিন ওরফে মাইচ্ছা মহসিন।

সর্বশেষ গত দুদিন পূর্বে ১০ গ্রাম হেরোইন সহ কাউন্টার টেররিজম নারায়নগঞ্জ জেলা শাখার হাতে গ্রেফতার হলে আবারো পত্রিকার শিরোনাম হয় শির্ষ এই মাদক ব্যবসায়ী।

 

 

স্থানীয় একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র মতে,মহসিন এক দশকের ও বেশী সময় ধরে মাদক ব্যবসায় জড়িত। প্রথম তিনি ছিলেন মাছ বিক্রেতা। রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার স্বপ্নে বিভোর থেকে মাছ বিক্রির পাশাপাশি শুরু করে ভারতীয় নিষিদ্ধ ফেনসিডিলের ব্যবসা। সে সময় গড়ে তোলো সিন্ডিকেট। সেই সিন্ডিকেটের একটি চালান ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের হাতে আটক হয়। এতে মাইচ্ছা মহসিন সন্দেহ করে সোহাগ নামের এক যুবক কে। মাইচ্ছা মহসিন বেশ কয়েক মাদক ব্যবসায়ীকে নিয়ে সোহাগ নামের যুবক কে কুপিয়ে হত্যা করে। শুধু তাই নয় মাদক ব্যবসা করতে গিয়ে সোর্স পান্না, আসিফ কে পিটিয়ে পা ভেঙ্গে দেয়।  সর্বশেষ গত কয়েক দিন পূর্বে রাসেল মোল্লা নামের এক যুবক কে ডাকাত আখ্যায়িত করে পিটিয়ে পা ভেঙ্গে ধারালো অস্ত্র দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। তাছাড়া মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় ইমাম হোসেন নামের এক যুবলীগ নেতা কে কোপায় মাইচ্ছদ মহসিন ও তার সহোযোগিরা।

 

 

আলোচিত এই মাদক ব্যবসায়ী ফতুল্লা থানার ব্যাংক কলোনী এলাকার মুসার পুত্র।

 

 

 জেলা পুলিশপর শির্ষস্থানীয় এক পুলিশ কর্মকর্তা জানায়, জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে লিখিত দেওয়ার বিষয়টি মাদক ব্যবসায়ীদের একটি নতুন কৌশল। ইতিপূর্বে মাইচ্ছা মহসিন সহ ফতুল্লার কবির হোসেন ফেলা, আমেনা সহ তার গোটা পরিবার লিখিত ভাবে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে অঙ্গিকার করলেও একদিনের জন্য হলেও তারা মাদক থেকে দুরে থাকেনি। এরই মধ্যে এরা বিভিন্ন সময় মাদক সহ গ্রেফতার ও হয়েছে।