বন্দর উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের লাউসার এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত মরদেহের পরিচয় মিলেছে। নিহত যুবকের নাম নাম মো.আরমান (২০)। তিনি কক্সবাজার চকোরিয়া উপজেলার মধ্য কোনাগটা গ্রামের মৃত: ইসমাইল হোসেনের ছেলে। তিনি পেশায় একজন দিনমজুর।
নিহতের বড় ভাই ক্ষুদ্র ব্যাবসায়ী ফোরকান ও মামা মোস্তাক আহমেদ পরিচয় নিশ্চিত করে জানান, প্রায় তিন মাস আগে আরমান কাউকে কিছু না বলে বাড়ি থেকে চলে আসে। মাঝেমধ্যে ফোনে কথা বললেও সে কোথায় থাকে বা কি কাজ করে তা গোপন রাখে আরমান।
সবশেষ গেলো শবেবরাতের দিন বড় ভাই ফোরকানের সাথে ফোনে কথা বলার পর আর যোগাযোগ হয়নি। পরে পুলিশের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে শুক্রবার বন্দর থানায় এসে আরমানের লাশ সনাক্ত করেন তারা।
মদনপুর পুলিশ ফাড়ীর উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহমুদ আলম জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে লোকমুখে সংবাদ পেয়ে লাউসার এলাকায় ইস্ট টাউন হাউজিং এ গিয়ে লারিজ ফ্যাশনের পেছনে ডোবার মধ্যে থেকে একজনের মরদেহ উদ্ধার করেন।
সাথে থাকা মোবাইল ফোন সহ পরিহিত কাপড়চোপড় জব্দ করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরীর মাধ্যমে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করা হয়।পরে জব্দকরা মোবাইল ফোনের কললিস্ট, সিডিআর সংগ্রহ এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে নিহতের আত্মীয় স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরে মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করা যাবে।
জানতে চাইলে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন জানান,এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষে হত্যা মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে।একইসাথে ঘটনার মুল রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের গ্রেফতারের জন্য মাঠে নেমেছে পুলিশ।
প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারী) সকাল ৯ টার দিকে মদনপুর ইস্ট টাউন হাউজিং এর পেছনে ডোবা থেকে ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

































