নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে আবু রায়হান রিপন (৩৫) হত্যার রহস্য মাত্র তিন দিনে উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে পূর্বপরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে সংস্থাটি। এর সঙ্গে জড়িত প্রধান অভিযুক্ত ইয়াছিনকে (২৭) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাতে বন্দরের দেওয়ানবাগ এলাকা থেকে ইয়াছিনকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই। ইয়াছিন কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ থানার খামার দেহুন্দা গ্রামের আবু ছালেকের ছেলে।
নিহত রিপন ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার বাসিন্দা এবং বর্তমানে গাজীপুরের বাসন এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পিবিআই নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মোস্তফা কামাল রাশেদ এ সব তথ্য জানান।
তিনি আরও জানান, গত ১২ জানুয়ারি সকালে রূপগঞ্জের দাউদপুরে মহাসড়ক থেকে এক অজ্ঞাত যুবকের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহের হাত ও পা ভাঙা ছিল এবং শরীরে আঘাতের একাধিক চিহ্ন ছিল। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে খবর পেয়ে নিহতের ভাই লাল মিয়া রূপগঞ্জ থানায় গিয়ে মরদেহটি তার ভাই আবু রায়হান রিপনের বলে শনাক্ত করেন।
ইয়াছিনকে ৭দিনের রিমান্ড আবেদন জানিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান মোস্তফা কামাল।
পিবিআইয়ের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত ইয়াছিন জানান, নিহতের সঙ্গে তাদের পাওনা টাকা নিয়ে দীর্ঘ দিনের বিরোধ ছিল। গত ১১ জানুয়ারি দিবাগত রাতে মোবাইল ফোনে কল করে রিপনকে বাসা থেকে ডেকে নেয়া হয়। এরপর ইয়াছিন ও তার সহযোগীরা মিলে রিপনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে। হত্যাকাণ্ডটিকে সড়ক দুর্ঘটনা হিসেবে চালিয়ে দেয়ার উদ্দেশে মরদেহটি জনশূন্য হাইওয়ে রাস্তার ওপর ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তারা।


































