নারায়ণগঞ্জ টাইমস | Narayanganj Times

সোমবার,

৩০ জানুয়ারি ২০২৩

নারায়ণগঞ্জ থেকে গিয়ে ঠাকুরগাঁয়ে চুরি, অতপর...

নারায়ণগঞ্জ টাইমস:

প্রকাশিত:২০:০৩, ১১ ডিসেম্বর ২০২২

নারায়ণগঞ্জ থেকে গিয়ে ঠাকুরগাঁয়ে চুরি, অতপর...

ঠাকুরগাঁও সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে তৃতীয় তলার ল্যাব চুরি ঘটনা ঘটেছিল গত ৫ আগস্ট। এ ঘটনায় সদর থানায় বাদি হয়ে মামলা দায়ের করে প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ।


এ মামলা চলমান থাকতেই চুরি হয় সাতক্ষীরা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে। এ ঘটনায় আটক হন এরশাদ (৩৬) ও হাসান (৩২) নামে দুই যুবক। পরে পুলিশ তাদের থানায় নিয়ে এলে চুরির ঘটনা শিকার করেন তারা।

 

মামলার তদন্তের ধারাবাহিকতায় রোববার (১১ ডিসেম্বর) দুপুরে চুরির ঘটনা জানতে এরশাদ ও হাসানকে ঠাকুরগাঁও সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে নিয়ে যায়। সেখানে তারা জানান কীভাবে প্রতিষ্ঠানের তিনতলা ভবনে উঠে চুরি করেন। এও জানান, চুরি করতে নারায়ণগঞ্জ থেকে ঠাকুরগাঁও এসেছিলেন তারা।

 

ঠাকুরগাঁও পলিটেকনিকের অধ্যক্ষ ইঞ্জিনিয়ার মাকসুদুর রহমানের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তাদের ল্যাব থেকে ৪৪টি কম্পিউটারের মালামাল চুরি হয়েছে।

 

এরশাদ নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার চররাজাপুর গ্রামের জামাল হোসেনের ছেলে। হাসান একই থানার মুসলিমনগর নতুন বাজার গ্রামের দেলোয়ারের সন্তান। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা সারা দেশে সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটগুলোয় চুরি করার কথাও স্বীকার করেন।

 

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ঠাকুরগাঁও ডিবি পুলিশের উপ পরিদর্শক (এসআই) নবীউল হক এসব তথ্য জানান। তিনি জানান, চলতি বছর ৪-৬ আগস্টের মধ্যে চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ঠাকুরগাঁও সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ মামলা করলে জেলা পুলিশ সুপারের আদেশে তদন্ত ভার পান নবীউল।

 

তদন্তের শুরুতেই প্রতিষ্ঠানের বিভিন্নস্থান থেকে আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করা হয়। পরে এসব নিয়ে সিআইডিতে যান তারা। নমুনা পরীক্ষা ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম চলমান থাকা অবস্থায় সাতক্ষীরা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে চুরির ঘটনা ঘটে। এ সময় আটক হন এরশাদ ও হাসান।

 

পরে চুরির তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে তাদের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়। রোববার (১১ ডিসেম্বর) সংশ্লিষ্ট মামলায় গ্রেফতার দেখাতে তাদের দুজনকে ঠাকুরগাঁও চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হয়। এ ব্যাপারে শুনানিতে বিচারক তাদের গ্রেফতার ও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

 

এসআই নবীউল আরও জানান, গ্রেফতার আসামিরা রিমান্ডে। তদন্তের স্বার্থে তাদের ক্রাইম সিন এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কীভাবে তারা চুরি করেছিল সেটি বর্ণনা করেছে। মামলা পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষ হলে এ দুজনের সঙ্গে আর কেউ জড়িত কিনা বলা যাবে। 

সম্পর্কিত বিষয়: