নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে দলবদল, রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার ও কৌশলী অবস্থানকে ঘিরে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা ওলামা লীগের সহ-সভাপতি মাহাবুব হোসেন মানিককে নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা ও গুঞ্জন দেখা দিয়েছে।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দলটির অনেক নেতাকর্মী আত্মগোপনে রয়েছেন কিংবা বিভিন্ন মামলায় জড়িয়েছেন। এরই মধ্যে মাহাবুব হোসেন মানিকের রাজনৈতিক অবস্থান ও কর্মকাণ্ড নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে নতুন করে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ী সূত্রগুলোর দাবি, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া হত্যা ও সহিংসতার মামলাগুলো থেকে নিজের নাম বাদ দেওয়ার জন্য তিনি বিভিন্ন মহলে যোগাযোগ এবং রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তনের চেষ্টা করছেন বলে স্থানীয়রা দাবি করেন।
এদিকে মাহাবুব হোসেন মানিকের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত বিরোধকে কেন্দ্র করে মারধরের অভিযোগও উঠেছে। হিরাঝিল এলাকার এক বাসিন্দা নিরাপত্তার জন্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, হিরাঝিল মসজিদের সামনে তার স্ত্রীকে মাথায় আঘাত করা হলে মাথা ফেটে যায়। পরে তাকে চিকিৎসা নিয়ে মাথায় চার থেকে পাঁচটি সেলাই দিতে হয়।
অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, মাহাবুব হোসেন মানিক তার স্ত্রীকে একটি গাড়ি থেকে ফেলে দিয়ে মারধরের চেষ্টা করেন। পারিবারিক বিরোধের জেরে মানিকের কয়েকজন ভাইয়ের সঙ্গেও তার সম্পর্ক ভালো নয় বলে দাবি করেন তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে মাহাবুব হোসেন মানিকের বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগগুলো অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমার ভাইয়েরাই আমার বিরুদ্ধে এসব অপপ্রচার করছে।
এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক বলেন, “এ বিষয়ে আমার জানা নেই। থানায় অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
স্থানীয়দের ভাষ্য, রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাবের কারণে দীর্ঘদিন ধরেই মাহাবুব হোসেন মানিককে ঘিরে বিভিন্ন আলোচনা রয়েছে।


































