নারায়ণগঞ্জ টাইমস | Narayanganj Times

বুধবার,

১৪ অক্টোবর ২০২৬

কাজল-মুন্নার মুক্তি দাবি নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের

নারায়ণগঞ্জ টাইমস:

প্রকাশিত:১৮:২৫, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

কাজল-মুন্নার মুক্তি দাবি নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর আইনজীবী ও নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক সভাপতি ও আবৃত্তি শিল্পী এড.জিয়াউল ইসলাম কাজলকে এবং তার ভাই নাট্যকর্মী আতিকুল ইসলাম মুন্নাকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোট। একই সঙ্গে তাদের দ্রুত মুক্তি দাবি করেছে সংগঠনটি।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি মনি সুপান্ত ও সাধারণ সম্পাদক দীনা তাজরিন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পরও বিচারব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন আসেনি। শেখ হাসিনার শাসনামলে বিচারব্যবস্থা যেমন ছিল, এখনো তেমনই রয়েছে বলে মনে করে সাংস্কৃতিক জোট। ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোট দীর্ঘদিন রাজপথে আন্দোলন করেছে। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনেও সংগঠনটির সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল। আওয়ামী লীগের শাসনামলে সংগঠনটির আন্দোলন-সংগ্রামের তথ্য ও ছবি ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে রয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মঙ্গলবার সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর আদালতে জামিন নেওয়াকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে জিয়াউল ইসলাম কাজল, তার ভাই আতিকুল ইসলাম মুন্না এবং সংশ্লিষ্ট আরেক আইনজীবীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের পূর্বের একটি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে বলে জানায় সংগঠনটি।

নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের দাবি, আদালতে ঘটে যাওয়া ঘটনার সঙ্গে কাজল ও মুন্নার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। আইনজীবী হিসেবে পেশাগত দায়িত্বের অংশ হিসেবে কাজল সেলিনা হায়াৎ আইভীর পক্ষে ছিলেন। এ কারণে তাকে অপরাধী করা যায় না বলে মনে করে সংগঠনটি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে তৎকালীন সরকারের গণবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের বিভিন্ন প্রতিবাদী কর্মসূচিতে কাজল ও মুন্না যুক্ত ছিলেন। জুলাই আন্দোলনের সময় জিয়াউল ইসলাম কাজল সংগঠনটির সভাপতি এবং আতিকুল ইসলাম মুন্না সদস্য ছিলেন।

সংগঠনটির নেতারা মনে করেন, সরকার পরিবর্তন হলেও বিচারব্যবস্থার কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন হয়নি। প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তার অতিউৎসাহী ও আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড সরকারকে বিতর্কিত করছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বিচারব্যবস্থার পরিবর্তন এবং জিয়াউল ইসলাম কাজল ও আতিকুল ইসলাম মুন্নার দ্রুত মুক্তি দাবি করা হয়েছে।