২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে শহীদ হওয়া ১৭ বছর ৩ মাস বয়সী জনির পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ।
শহীদ জনির বাবা মো. ইয়াসিন। তাঁর ছোট ছেলে জনি ২০২৪ সালের ২০ জুলাই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইলে জুলাই আন্দোলনের সময় শহীদ হন।
এদিকে শহীদ জনির বড় ভাই ২২ বছর বয়সী আশিস বেশ কয়েক মাস ধরে অসুস্থ। তাঁর চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে গিয়ে আর্থিক সংকটে পড়েছেন বাবা মো. ইয়াসিন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তির পক্ষে ছেলের চিকিৎসার খরচ চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।
বিষয়টি জানতে পেরে শহীদ জনির বড় ভাই আশিসের চিকিৎসার জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ।
২৫ আগস্ট সোমবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ কার্যালয়ে তিনি শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং আশিসের চিকিৎসার জন্য সহযোগিতা প্রদান করেন।
এ সময় শহীদ জনির পরিবারের পক্ষ থেকে অধ্যাপক মামুন মাহমুদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।


































