বন্দরে ছোট বাচ্চাকে স্বজরে ধাক্কা মেরে ফেলা দেওয়ার ঘটনায় প্রতিবাদ করার জের ধরে পাষান্ড ছোট ভাই ও তার স্ত্রী দুই দফা সন্ত্রাসী হামলায় একই পরিবারের ৩ জন জখম হয়েছে। আহতরা হলো আক্তার হোসেন (৫৬) তার স্ত্রী তাসলিমা বেগম (৫০) মেয়ে পপি আক্তার ওরফে সাথী (২৮)।
স্থানীয়রা আহতদের জখম অবস্থায় উদ্ধার করে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করেছে। এ ঘটনায় আহত গৃহবধূ তাসলিমা বেগম বাদী হয়ে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারী) বিকেলে হামলাকারি রবিন ও তার স্ত্রী রাহিমা বেগমের নাম উল্লেখ্য করে আরো ২/৩ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে বন্দর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।
এর আগে গত সোমবার (২৬ জানুয়ারী) বিকেল ৪টায় ও মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারী) সকাল সাড়ে ৭টায় বন্দর থানার ২৬ নং ওয়ার্ডের সোনাচড়া এলাকায় এ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনাটি ঘটে।
জানা গেছে, গত সোমবার বিকেল ৪টায় বন্দর থানার সোনাচড়া এলাকার মৃত সাধু মিয়ার বড় ছেলে দিনমজুর আক্তার হোসেনের আড়াই বছরের নাতী জাহিদুল পিছন দিক থেকে ২নং বিবাদী রাহিমাকে ঝড়িয়ে ধরে। এ ঘটনায় আক্তার হোসেনের ছোট ভাইয়ের স্ত্রী রাহিমা বেগম ক্ষিপ্ত হয়ে অবুঝ শিশু জাহিদুলকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয়।
এ ঘটনায় বড় ভাই দিনমজুর আক্তার মিয়া প্রতিবাদ করলে ওই সময় পাষান্ড ছোট ভাই রবিন ও তার স্ত্রী রাহিমা ক্ষিপ্ত হয়ে আক্তার ও তার স্ত্রী তাসলিমা বেগমকে বেদম ভাবে পিটিয়ে নিলাফুলা জখম করে।
এর ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারী) সকাল সাড়ে ৭টায় উল্লেখিত ঘটনার জের ধরে বখাটে রবিন ও তার স্ত্রী রাহিমা বেগমসহ অজ্ঞাত নামা ২/৩ লাঠিসোটা ও লোহার শাবল নিয়ে বড় ভাই আক্তার হোসেনকে হত্যার উদ্দেশ্য অর্তকিত হামলা চালায়।
ওই সময় হামলাকারি ছোট ভাই রবিন লোহার শাবল দিয়ে বড় ভাই আক্তার হোসেনের মাথা আঘাত করার চেষ্টা করলে লক্ষভ্রষ্ট হয়ে ডান পায়ে আঘাত লাগলে তার ডান পা ভেঙ্গে যায়।
আহতের ডাক চিৎকারে তার স্ত্রী ও মেয়ে এগিয়ে আসলে ওই সময় হামলাকারি ছোট ভাইয়ের স্ত্রী রাহিমা বেগম ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযোগের বাদিনী তাসলিমা বেগমকে চুলের মুঠি ধরে নিচে ফেলে বেদম ভাবে কিল-ঘুষি মেরে নিলাফুলা জখম করে।
১নং বিবাদী অভিযোগ বাদিনী মেয়ে পপিকে বেদম ভাবে মারধর করে পরিধানের জামা কাপড় টানা হেঁচড়া করে শ্লীতাহানী করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।


































