সোনারগাঁ উপজেলার পাঁচানী এলাকায় গত ২৮ জানুয়ারি সংঘটিত একটি সংঘর্ষের ঘটনায় ব্যবসায়ী আ: হামিদকে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে জড়িয়ে মিথ্যা অপ-প্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের দাবি, সম্প্রতি কিছু পক্ষ হামিদকে আওয়ামী লীগ নেতা হিসেবে প্রকাশ করে বিভ্রান্তিকর সংবাদ ছড়াচ্ছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আ: হামিদ পাঁচানী এলাকার পরিচিত ব্যবসায়ী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সাবেক নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক মুক্তিযুদ্ধ প্রতিমন্ত্রী রেজাউল করিমের অনুসারী।
তবে সংঘর্ষের সঙ্গে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলে দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। তারা জানিয়েছেন,আ: হামিদ প্রায় ত্রিশ বছর ধরে ঢাকায় বসবাস করেন এবং সাধারণত বিশেষ প্রয়োজনে ছাড়া গ্রামের বাড়িতে আসেন না।
একই সময়ে, এলাকাবাসী অভিযোগ করেছে যে, পাঁচানী এলাকায় সন্ত্রাসী রাসেল গ্রুপের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়দের বিরোধ চলছিল। ওই বিরোধের জেরেই গত ২৮ জানুয়ারি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। কিন্তু রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে হামিদকে নাম জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে।
স্থানীয় সচেতন মহল উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, প্রকৃত দোষীদের আড়াল করে নির্দোষ ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা অপ-প্রচার চালানো আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও জটিল করতে পারে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে আ:হামিদ বলেন, আমি ৭০ বছর বয়সী একজন বয়স্ক মানুষ। বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছি। আমি ত্রিশ বছর ঢাকায় বসবাস করি এবং কোনো প্রয়োজন ছাড়া গ্রামের বাড়িতে যাই না। আমি এই সংঘর্ষ বা সহিংস ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নই।
আমাকে জড়িয়ে যে অপ-প্রচার চালানো হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। বিশেষ করে আমাকে আওয়ামী লীগ নেতা হিসেবে দেখানো সম্পূর্ণ অসত্য।
স্থানীয় বাসিন্দারা দৃঢ়ভাবে দাবি করেছেন, হামিদ নাম জড়ানো অপ-প্রচার একমাত্র রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়েই করা হচ্ছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের আহ্বান জানিয়েছেন।

































