নারায়ণগঞ্জ টাইমস | Narayanganj Times

মঙ্গলবার,

২৭ জানুয়ারি ২০২৬

আড়াইহজারে জামায়াত প্রার্থী ও নারী কর্মীদের ওপর হামলা, আহত ৮  

নারায়ণগঞ্জ টাইমস

প্রকাশিত:১৯:৫২, ২৭ জানুয়ারি ২০২৬

আড়াইহজারে জামায়াত প্রার্থী ও নারী কর্মীদের ওপর হামলা, আহত ৮  

আড়াইহাজারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও নারী কর্মীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে জামায়াতে ইসলামীর অন্তত ৮ জন নেতা-কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন।

তারা হলেন- মেহেদী হাসান অর্ণব, মিরাজ মাহমুদ, মেহেদী হাসান অন্তর, শফিল আহমদ, মুফতী মাহমুদ আব্বাসী, মেহেদী হাসান, কাজী মারুফ ও মাহবুব জোবায়ের। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে গোপালদী পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের মোল্লার চর এলাকায় ১১ দলীয় জোট সমর্থিত ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ইলিয়াস মোল্লার পক্ষে নারী কর্মীদের একটি উঠান বৈঠক চলাকালে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে হামলাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।

প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, বিএনপির স্থানীয় নেতা মোরশদের নেতৃত্বে কয়েকজন উচ্ছৃঙ্খল কর্মী ওই উঠান বৈঠকে হামলা চালায়। ঘটনার খবর পেয়ে সংসদ সদস্য প্রার্থী ইলিয়াস মোল্লা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তার ওপরও হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা তাকে লাঞ্ছিত করে এবং সঙ্গে থাকা জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীদের ওপর লাঠিসোঁটা নিয়ে আক্রমণ চালায়।

ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য, নারায়ণগঞ্জ জেলা আমীর ও জেলা সেক্রেটারি মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, দীর্ঘ লড়াই ও রক্তক্ষয়ী জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে যে নতুন বাংলাদেশ গড়ে উঠেছে, সেখানে সন্ত্রাস ও ফ্যাসিবাদী আচরণের কোনো স্থান নেই। অথচ একটি রাজনৈতিক দলের উচ্ছৃঙ্খল কর্মীদের এমন কর্মকাণ্ডে জনগণ আবারও আতঙ্কিত হয়ে পড়ছে।

বিবৃতিতে তারা আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামীর জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকায় একটি মহল পরিকল্পিতভাবে নারী মা-বোনদের ওপর হামলা, লাঞ্ছনা ও সহিংসতা চালাচ্ছে। নারায়ণগঞ্জেও এ ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। নারী কর্মীদের রক্ষায় সংসদ সদস্য প্রার্থী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে তাকেও লাঞ্ছিত করা হয়, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়।

নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করে বলেন, বিএনপির এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের পথে বড় ধরনের প্রতিবন্ধক। এর আগেও একাধিকবার সংসদ সদস্য প্রার্থীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটলেও প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ চোখে পড়েনি।

বিবৃতিতে তারা অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার, দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নির্বাচনী পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।